চট্টগ্রাম: দখলদার ইউনুস এর ব্যর্থতায় একের পর এক হিন্দু নিধন চলছে। সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ফেনীর সমীর দাসের পরিবারে আর্তনাদ চলছে, সন্তান হারানো চিৎকার, কান্না শুনতে পায় কি বাংলাদেশ?
সমীর দাস (২৮)কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার রাতে চট্টগ্রামের দাগনভুঁইয়ার ঘটনা। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে এসব দেখানো ।
পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাতে অটো নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন সমীর। দাগনভুঁইয়ার বাজারের কাছে তাঁর উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে হিন্দু বিরোধীরা। যারা হিন্দুদের টার্গেট কিলিং মিশনে নেমেছে।
জামাত, শিবির, ইউনূস দেশ ধ্বংসের কারিগরেরা ধ্বংস করছে দেশকে।
প্রথমে তাঁকে বেদম মারধর করা হয়। শেষে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায় দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন সমীর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।
হত্যাকাণ্ডের পরে দুষ্কৃতীরা সমীরের অটোটি ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।
শেখ হাসিনা যতদিন ছিলেন ততদিন দেশে হিন্দু হত্যা হয়নি, নির্যাতন হয়নি একথা বলা যায় না। তখনো হয়েছে। কারণ হিন্দুরা এই দেশে সংখ্যালঘু। হিন্দু বিদ্বেষীর তো অভাব নাই।
তবে ইউনূসের আমল সবকিছুকে ছাপিয়ে গেছে। নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে দেশকে আরো উত্তপ্ত করে তোলা হচ্ছে ।
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপরে আক্রমণের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।দেশজুড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর ক্রমবর্ধমান হামলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ‘বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ’।
গোটা পরিস্থিতির উপরে নজর রাখছে নয়াদিল্লি। গত শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা প্রসঙ্গে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের পাশাপাশি তাঁদের বাড়িঘর, প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসার উপর চরমপন্থীদের হামলার একটি উদ্বেগজনক ধারা আমরা দেখতে পাচ্ছি। এই ধরনের সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলির দ্রুত ও কঠোর মোকাবিলা করা প্রয়োজন।’
