ঢাকা: চরম উগ্রবাদী মন্তব্য করে এসেছেন এতদিন সারজিস আলম। ভারত বিরোধিতা ছিলো জনগণের সমর্থন আদায়ের একটা কৌশল। জনতার সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলেও জিততে পারলেন না তো!
মোদিবিরোধী মন্তব্য করে গোহারা হারলেন বাংলাদেশের ছাত্রনেতা সারজিস আলম।
লাগাতার ভারত-বিরোধিতা অস্ত্র কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কাজে এল না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি, বিরোধী মন্তব্যের পরও বাংলাদেশ ভোটে জিততে পারলেন না ছাত্রনেতা সারজিশ আলম।
নিজের কেন্দ্র পঞ্চগড়-১ আসনে গোহারা হারলেন। এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।
মূলত এদের অস্ত্রই তো ভারত বিরোধিতা।
সারজিস বলেছিলেন, ‘আমরা ভারতকে একটি জিনিস বলে দিতে চাই, বাংলাদেশের মানুষ ভারত বিরোধী নয়। বাংলাদেশের মানুষ ভারতের জনগণ বিরোধী নয়, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ উগ্র সাম্প্রদায়িক মোদিবিরোধী। যে মোদি মুসলমানদের রক্তের ওপরে এসে এই ভারতের ক্ষমতায় এসেছে’।
এত উগ্র মন্তব্যের পরেও কিন্তু ভারত শত্রুতা করেনি বাংলাদেশের সাথে। হ্যাঁ কূটনৈতিক সম্পর্কের পতন ঘটেছে দুই দেশের ৫ আগস্টের পর, সেটা এই দেশের জন্যেই।
তবে সবসময় সব অস্ত্র কাজে লাগে না। জনতার সমর্থন টানতে পারেননি। জনগণ খুব ভালো বুঝেছে ৫ আগস্টের পর মূলত দেশ শান্তি কীভাবে থাকবে।
