ঢাকা: সাপও মরবে লাঠিও ভাঙবে না এরা হচ্ছে এই ধরনের। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জঙ্গী আন্দোলনে পর ‘ন্যায়বিচার’ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ বাকি উপদেষ্টারা। করেছেন কী?

এই মিথ্যাবাদী জঙ্গী আসিফরা শুধু ফায়দা লুটার জন্য দেশে আছেন। তিনি অত্যন্ত দুর্জন একজন ব্যক্তি।

উপদেষ্টা ও তাঁর পরিবারকে ‘প্রগতিশীলতার আইকন’ ভেবেছিলো বাংলাদেশ, এদের কথাবার্তায় কেউ ভেবেছিলো যে এরা এতবড় ধুরন্ধর।

তাদের পর্দার পেছনের নোংরামির গল্প শুনলে আপনার রক্ত হিম হয়ে যাবে।

তাঁদের অপকর্মের তালিকা দিনে দিনে বাড়ছে।

সদ্য বিদায়ী এই উপদেষ্টার গত দেড় বছরের (১৮ মাস) কর্মকাণ্ড ঘিরে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

জানলে মাথায় হাত দেবেন। এবং এগুলোর সাথে জড়িত ছিলো তাঁর স্ত্রীও।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নিয়োগ-বাণিজ্য ও দাগি আসামিদের ‘অব্যাহতি’ দিয়ে অর্জন করা হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের মূল কারিগর ছিলেন তাঁর স্ত্রী শীলা আহমেদ।

উপদেষ্টার ক্ষমতার আড়ালে পুরো আর্থিক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন তাঁর স্ত্রী।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সাত সহযোগীর বিরুদ্ধে গত ১৮ মাসে ভয়াবহ লুটপাট, অর্থ পাচার, রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অরাজক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এই চক্রটি হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাতে এসব তথ্য জানা গেছে।

গোয়েন্দা সূত্র ও প্রাপ্ত অভিযোগ অনুযায়ী, ধ্বংসযজ্ঞের ‘প্রথম সর্বনাশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলকে।

‘বিহারি’ পরিবারে জন্ম নেওয়া এই উপদেষ্টার বিরুদ্ধে বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিহারিরা মুক্তিযুদ্ধে কোন পক্ষে ছিলো তা আপনারা জানেন।

জানা গিয়েছে, গত ১৮ মাসে তিনি অবৈধভাবে ১৪ হাজার কোটি টাকা আয় করেছেন।

আইন মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে কেন্দ্র করে সিন্ডিকেট গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সেখান থেকে তিনি একাই ৬ হাজার কোটি টাকা হাতিয়েছেন।

টাকা লুটপাট করে স্ত্রী ও শাশুড়ির নামে বিপুল সম্পদের পাহাড় বানিয়েছেন।

এখানেই শেষ নয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি এবং মব উসকে দিয়ে মানুষের সহায় সম্পদ ধ্বংস ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

অভিযোগের পাহাড় তার বিরুদ্ধে।

প্রত্যেকটা অপদেষ্টা দুষ্ট। সবাই দুর্নীতিবাজ। কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে, দেশ ধ্বংস করেছে।

এদিকে, ড. আলী রীয়াজ ও মনির হায়দারের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়, গণভোট আয়োজনের নামে আলী রীয়াজ ৩০০ কোটি টাকা লোকসান করেছেন।

প্রহসনের এই গণভোট নিয়ে দর কষাকষি হয়েছে।

সংবিধান সংশোধনের নামে আরেক মার্কিন নাগরিক মনির হায়দারকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের ২ হাজার কোটি টাকা অপচয় করা হয়েছে।

সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী আরেকজন। তাঁর স্ত্রী অভিনেত্রী তিশা। এদের ভালো মানুষীর মুখোশ খসে পড়েছে।

সংস্কৃতির বিকাশে কোনো ভূমিকা না রেখে লুটপাটে ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, গণভবনে ‘কল্পকাহিনী’ তৈরি করে জাদুঘর নির্মাণ, ড্রোন শো আয়োজনের নামে তিনি বিশাল পরিমাণের অর্থ হাতিয়েছেন।

বাংলাদেশের শিল্পকলা আর সরকারি অর্থ লুটপাটের এক ভয়ংকর ‘সাংস্কৃতিক সিন্ডিকেট’ গড়ে তুলেছিল ফারুকী-তিশা দম্পতি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *