ঢাকা: পাকিস্তানের প্রেসক্রিপশনে ক্রিকেট ধ্বংস করে এখন পুরোপুরি সন্তুষ্ট আসিফ নজরুল।
বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ দলের বাদ পড়া শুধু একটি টুর্নামেন্ট হার নয়—এটা দেশের ক্রিকেট ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার ফল।
আজ দেশে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে হরতাল থাকতো। কিন্তু শেখ হাসিনা তো আর নেই, তাই সব দোষ এখন সাতখুন মাফ।
দেশের ভেতরে আসিফ নজরুল, আসিফ মাহমুদ, নাহিদ হাসনাত, আব্দুল্লাহসহ যাঁরা দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের সিদ্ধান্ত ও অদূরদর্শিতাই আজ এই পরিণতির বড় কারণ।
ক্রিকেটে উন্নয়ন নয়, হয়েছে রাজনীতি। যোগ্যতা নয়, হয়েছে পছন্দ-অপছন্দের খেলা।
এর ফলাফল—দল ভেঙেছে। শুধু তাই নয় বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ আজ হাস্যকর অবস্থায় দাঁড়িয়ে।
ভারতের বিরুদ্ধে একগুঁয়েমির ফলে আসিফের কিছু যাবে আসবে না, যা ক্ষতি হবার হবে খেলোয়াড়দের, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের।
আসিফের কর্মকাণ্ড শুধু ক্রিকেট ধ্বংস নয়; এটা তরুণদের স্বপ্ন ভাঙা, একটি জাতির সম্ভাবনাকে পিছিয়ে দেওয়া।
বিদেশি ধাঁচের ক্ষমতার রাজনীতি আর দায়িত্বহীন সিদ্ধান্ত খেলাধুলা ও জাতিগত মানসিকতাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিচ্ছে।
আজ আসিফেরা মনে করছে বিরাট বড় জয় পেয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে অথচ ক্ষতি যা হবার হয়ে গেছে।
এবার সরাসরি পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন আসিফ নজরুল।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বাংলাদেশকে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান ভারত-ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়ায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
তিনি ৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে এই ধন্যবাদ জানান।
উপদেষ্টার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:
ধন্যবাদ পাকিস্তান
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, বাংলাদেশকে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে তাঁর দেশ ভারত-ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বুধবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলব না। কারণ খেলার মাঠে কোনো রাজনীতি থাকা উচিত নয়। আমরা খুব ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমি মনে করি এটি খুবই উপযুক্ত সিদ্ধান্ত।’
