চট্টগ্রাম: কারাগার হয়েছে টর্চার সেল। বিনা চিকিৎসায় মেরে ফেলা হচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের। ইউনূসের যুগে এগুলো অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।
এবারচট্টগ্রাম কারাগারে বন্দী আব্দুর রহমান মিয়া নামের ক্যানসারে আক্রান্ত বয়োজ্যেষ্ঠ আওয়ামী লীগ নেতা মারা গেছেন।
চট্টগ্রামে নামাজ আদায় করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন প্রায় ৮০ বছর বয়সী এই আওয়ামী লীগ নেতা।
এত বয়স্ক একজন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ শরীর নিয়েই তাঁকে থানায় নেওয়া হয়, সেখান থেকে কারাগারে।
পরবর্তী তিন মাস ধরে বিনা জামিনে, প্রায় বিনা চিকিৎসায় বন্দী থাকার পর শেষ পর্যন্ত স্ট্রোক করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই তিনি মারা যান।
আব্দুর রহমান মিয়া ছিলেন চট্টগ্রাম নগরের ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।
শারীরিক অনেক জটিলতা ছিলো তাঁর। দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস ক্যান্সার, শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন।
পরিবার ও আইনজীবীদের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো গুরুতর অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল না।
শনিবার, ৩১ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চমেক হাসপাতালের ক্যানসার ওয়ার্ড ‘ক্লিনিক্যাল অনকোলজি ও রেডিওথেরাপি বিভাগ’-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
এইভাবেই ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে আওয়ামী লীগের সাধারণ কর্মীদেরকেও।
আইনজীবীরা বলছেন, ক্যান্সার আক্রান্ত একজন প্রবীণ মানুষের ক্ষেত্রে মানবিক বিবেচনায় জামিন দেওয়ার আইনগত সুযোগ ছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি।
