ঢাকা: ২৪ এর জুলাই আগস্টে যে আন্দোলন হয়েছে তা যে কোনো সাধারণ আন্দোলন নয়, তা তো দেখাই গেলো। এবং সবকিছু যে ম্যাটিকুলাস ডিজাইন ছিলো, তা ইউনূস নিজেই বলেছেন।

সমস্তটাই ছিলো ষড়যন্ত্র। সেই সময় আন্দোলনকারীরা যাতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে পারে, তার জন্য তাদের দেয়া হয়েছিলো কেপ্টাগন ড্রাগস।

ছাত্রদের মধ্যে ড্রাগস বিতরণ করা হতো, এবং আন্দোলনকারীদের নৃশংস করে তোলার জন্য যে ড্রাগ সরবরাহ করা হতো তার নাম ‘কেপ্টাগন’, যা সেবন করলে উন্মাদনা বাড়িয়ে দেয়।
এই কারণেই ছাত্র-ছাত্রীরা ছিল উম্মাদ বেপরোয়া।

এদের তখন আত্মঘাতী হতেও কোনো বাধা ছিলো না।

বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ১৯৮৬ সালে ক্যাপ্টাগন নিষিদ্ধ করা হয় এবং ওষুধের বাজার থেকে সেটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

ক্যাপ্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে “জিহাদী ড্রাগ” নামে পরিচিত। এটা সেবন করে জঙ্গিরা যুদ্ধে নামে।

এটা সেবনের ফলে শরীরে কোনো ভয়ডর থাকে না। ব্যথা কম অনুভূত হয়। না ঘুমিয়েও অনেকক্ষণ লড়া যায়।
অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ও আগ্রাসী আচরণ বাড়ে।

জুলাই আন্দোলনে এই মাদকের প্রভাব ছিল মারাত্মকভাবে। তাই আন্দোলনকারীরা ছিলো এত হিংস্র।

উল্লেখযোগ্য যে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধক্ষেত্রে—বিশেষ করে সিরিয়া ও আশপাশের এলাকায়—সশস্ত্র যোদ্ধাদের মধ্যে কেপ্টাগন ব্যবহারের বহু রিপোর্ট আছে।

মিডিয়া ও তদন্ত প্রতিবেদনে কেপ্টাগনের নাম জড়িয়েছে কিছু চরমপন্থী সংগঠনের সঙ্গে, যেমন ISIS।
এই যোগসূত্রের কারণেই পশ্চিমা গণমাধ্যমে “jihadist drug” শব্দটি জনপ্রিয় হয়।

এই ড্রাগস খেলে সহিংস কর্মকাণ্ড করতে আর দ্বিধা হয় না না।

জানা গিয়েছে, জুলাইয়ে আন্দোলনকারীদের নৃশংস করে সরকারের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়ার আগে সেবন করানো হতো ভয়ংকর কেপ্টাগন।

তথাকথিত “দাঙ্গা নেতা” আবু সাঈদ, হাসনাত আবদুল্লাহ, এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী আরও অনেকের আচরণগত ধরণ মোটেও “স্বাভাবিক ছিল না”।

বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি সামরিক গোয়েন্দা দল অনেক আগেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কিন্তু কারা জড়িত তা প্রকাশ করেনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নির্ভরযোগ্য সামরিক সূত্রের মতে, তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের একটি জিহাদি গোষ্ঠীকে ক্যাপটাগনের একটি চালান সরবরাহ করেছিল।

সূত্রগুলি বলছে যে তাদের কাছে থাকা ভিডিও ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্যে আচরণগত প্রমাণ পাওয়া গেছে যে স্বাভাবিক মানুষের সীমা ছাড়িয়ে শারীরিক সহনশীলতা, অস্বাভাবিক উদ্দীপনা এবং নির্ভীক আগ্রাসনের ইঙ্গিত রয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *