ঢাকা: স্ত্রী সন্তান দুজনেই মারা গেছে, স্বামী ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম জেলে। কী মর্মান্তিক এক ঘটনা ঘটে গেলো। এই সরকারকে ক্ষমা করবে দেশ?
পরিবার হাজারো চেষ্টা করার পরেও প্যারলে মুক্তি পাননি সাদ্দাম, পরে বাধ্য হয়ে পরিবার স্ত্রী ও শিশু সন্তানের দুটি মরদেহ অ্যাম্বুলেন্স করে কারাগারের ভিতর নিয়ে যায়, এ সময় সাদ্দামকে মাত্র ৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়।
সাদ্দাম তার স্ত্রীকে শেষ বারের মতো ছুঁয়ে দেখেন এবং জীবনে প্রথমবার নিজের শিশু সন্তানকে মৃত অবস্থায় কোলে তুলে নেন।
আহ! পিতার কাঁধে সন্তানের মৃতদেহ! এর চাইতে ভারি আর কিছু আছে?
হঠাৎ জেলের মাইক বেজে উঠে। ডাক এলো—
“জেল গেট, মোঃ সাদ্দাম। বাগেরহাট সদর থানা। আপনার জরুরি সাক্ষাৎ আছে। গেটে আসুন।”
সাদ্দাম কিছু বুঝে ওঠার আগেই গেটের দিকে হাঁটলেন।
প্রথম দরজাটা খুলতেই চোখে পড়ল—একটা অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে আছে।
সাথে একজন পুলিশ। নিস্তব্ধ কণ্ঠে জানালেন ঘটনা।
মাত্র ৫ মিনিট সময়। শুধু স্ত্রী আর শিশু সন্তানকে একবার দেখার জন্য।
হয়তো চিৎকার করার সুযোগটুকুও পাননি। কী করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না। হায়রে রাষ্ট্র!
দেশ বলছে, মৃত স্ত্রী আর সন্তান দেখতে গেলো একজন জীবিত স্বামী আর সন্তান তার জন্মদাতা পিতাকে…
আমরা আমার বেঁচে থাকা জীবনে এমন কিছু, এমন একটি হৃদয় স্পর্শী ঘটনা আর শুনিনি, দেখিনি!
কী ভয়াবহ অন্যায়! ১০ মিনিট সময়ও দেওয়া হলো না তাঁকে। অবৈধ ইউনূস ক্ষমা পাবেন?
