ঢাকা: চিন্ময় প্রভু একজন সনাতনী। তিনি কারও অর্থ আত্মসাৎ করেননি, চড়া সুদে টাকা লাগাননি, নির্বাচনে প্রার্থী হতে মিথ্যা সম্পদের বিবরণ তুলে ধরেননি, ঘুষ লেনদেন করেননি, কোনো অন্যায় করেননি,ভিন্ন ধর্মের ব্যক্তিকে হত্যা করেননি। তার পরেও তিনি অপরাধী, কারণ তিনি বাংলাদেশে সনাতনী। এটাই একমাত্র অপরাধ।
বেগম রোকেয়ার চোখেমুখে কালিলেপন করলে কিংবা রাজু ভাষ্কর্যের মাথায় স্কার্ফ পরিয়ে দিলে দেশদ্রোহিতা হয় না, জাতির পিতার মাথায় প্রস্রাব করলে দেশদ্রোহিতা হয় না; কিন্তু জাতীয় পতাকাকে পাশে সমুজ্জল রেখে আলাদা খুঁটি বসিয়ে নিজধর্মের পতাকা টানিয়ে সভা করলে দেশ বেসামাল হয় কী করে?
কারাগারে শাস্তি পাচ্ছেন চিন্ময় প্রভু। ইউনূস সরকার সংখ্যালঘু হিন্দুদের পিষে মারছে। জঙ্গীদের মদতে ক্ষমতায় বসে পায়ের উপর পা তুলে মজা দেখছেন নোবেলজয়ী।
এদিন, নগরের কোতোয়ালী থানায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জন আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন আদালত।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো.জাহিদুল হক এই চার্জ গঠন করেন। এ সময় ট্রাইব্যুনালে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ২৩ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন।
অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা একটা বিরাট ম্যাটিকুলাস ডিজাইন। সংখ্যালঘু নিধনের জন্য সব ষড়যন্ত্র।
মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জন আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে।
এসময় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর পক্ষে একজন আইনজীবী ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। পলাতক ১৬ আসামির পক্ষে একজন আইনজীবী ছিলেন।
কারাগারে থাকা ২২ আসামির পক্ষে লিগ্যাল এইড অফিস থেকে আগামী ধার্য তারিখে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হবে। ২ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
চার্জশিটে আসামিদের মধ্যে- চন্দন দাশ মেথর, রিপন দাশ, রাজীব ভট্টাচার্য্য, শুভ কান্তি দাশ, আমান দাশ, বুঞ্জা, রনব, বিধান, বিকাশ, রমিত প্রকাশ দাস, রুমিত দাস, নয়ন দাশ, ওমকার দাশ, বিশাল, লালা দাশ, সামীর, সোহেল দাশ, শিব কুমার, বিগলাল, পরাশ, গণেশ, ওম দাস, পপি, অজয়, দেবী চরণ, দেব, জয়, লালা মেথর, দুর্লভ দাস, সুমিত দাশ, সনু দাস, সকু দাস, ভাজন, আশিক, শাহিত, শিবা দাস ও দ্বীপ দাস।
