ঢাকা: ক্ষমতায় এসেই ইউনূস বলেছিলেন সাংবাদিকদের স্বাধীনতার কথা। কিন্তু ইউনূসের মতো মিথ্যাবাদী, কপট পৃথিবীতে আর দুটো নেই। নিজের স্বার্থ সবচেয়ে বেশি বোঝেন এই সুদী ইউনূস।

একের পর এক সাংবাদিককে নির্যাতন, গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাও হয়েছে।‌

ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, শ্যামল দত্ত এবং মোজাম্মেল হক বাবু এখনো জেলেই রয়েছেন। এমন আরো আছেন। তাদের বিরুদ্ধে যেসব হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হত্যামামলার পাশাপাশি সাংবাদিক নিপীড়নের আরও নানা রূপ উঠে এসেছে ইউনূসের আমলে।

বাংলাদেশে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাবন্দি ডজনখানেক সাংবাদিককে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ)।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিশেষ বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে হত্যাসহ বিভিন্ন ভুয়া ও ভিত্তিহীন অভিযোগে এসব সাংবাদিকদের দীর্ঘ সময় ধরে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে।

সিজেএ আশা প্রকাশ করেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে আইনের শাসন ফেরাতে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সাংবাদিকদের মুক্তি দেওয়ার মাধ্যমেই তার প্রতিফলন ঘটবে।

বিবৃতিতে সিজেএ বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটির সহ-সভাপতি ও ‘ভোরের কাগজ’-এর দীর্ঘদিনের সম্পাদক শ্যামল দত্তের কথা।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে একটি ভিত্তিহীন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি এবং আরও অনেক গণমাধ্যমকর্মী কারাবন্দি রয়েছেন।

এমনকি তাঁদের জামিন থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে।

শ্যামল দত্তের মেয়ে শশী এর আগে সিপিজেকে বলেন, তাদের পরিবার এখন আর জানেই না কতগুলো মামলায় তার বাবার নাম আছে।

সিজেএ জানায়, ইউনূসের আমলে শত শত সাংবাদিক শারীরিক হামলার শিকার হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়াও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে অনেককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড নিয়ে নেয়া হয়।

মূলত সাংবাদিকদের বিষয়টা এখন বিএনপি সরকারের ওপর নির্ভর করছে।

সিজেএ সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে যাতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে দায়মুক্তির সংস্কৃতির অবসান ঘটানো হয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *