ঢাকা: ইউনূস এই বয়সে এসে মিথ্যাবাদী হননি, মিথ্যাবাদী তিনি সেই ছোটবেলা থেকেই।
প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার সময় তাঁর প্রতিশ্রুতি ছিল বাংলাদেশের ‘দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানো’। কিন্তু তিনি করেছেন কী দেশের ক্ষমতায় বসে?
ঋণের বোঝা চাপিয়ে গেলেন আরেকজনের ওপর।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটিয়ে বিদায় নিয়েছেন ইউনূস।
অর্থনৈতিক ধস নেমেছে তাঁর আমলে।
এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে, আয় ও ব্যয়ের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, টেকসই পরিকল্পনা ও জবাবদিহিতা ছাড়া এই ঋণনির্ভরতা ভবিষ্যতে আরও বড় সংকট ডেকে আনতে পারে।
ঋণের পরিমাণটা ২৩ লাখ কোটি টাকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে নেওয়া সরকারি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ লক্ষ ৫০ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা।
দায়িত্ব গ্রহণের সময় দারিদ্র্য বিমোচন ও কাঠামোগত সংস্কারের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, বাস্তবে তা পূরণ হয়নি। তার দায়িত্বকালে দেশে নতুন করে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ দরিদ্র শ্রেণিতে যুক্ত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক সংস্থার এক পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের হার এক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আগের অর্থবছরে যেখানে জিডিপির ২৪ শতাংশের কাছাকাছি ছিল, সেটা পরবর্তী সময়ে ২২ শতাংশের কিছু বেশি পর্যায়ে নেমে আসে বলে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
অশান্তির সৃষ্টিকর্তা তিনি। সবদিকে দেশকে খেয়েছেন তিনি।
সরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ধীরগতি হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে—এমন তথ্য বেসরকারি গবেষণা সংস্থার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, বিদায়ী ভাষণে মুহাম্মদ ইউনূস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি ও প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক প্রবণতার কথা উল্লেখ করেন।
তাঁর মিথ্যায় আরশ কাঁপে।
