ঢাকা: পরিবেশ উপদেষ্টা বা তিনি পলিথিন উপদেষ্টা নামেও পরিচিত।

এদের এত বড় বড় ভাষণ, অথচ দেশটাকে লুটে খেয়ে একদম ধ্বংসের দোড়গোড়ায় নিয়ে গিয়েছে। দেড় বছর সময় পেয়ে এদের এই অবস্থা! এরা সবকটা দেশ ধ্বংসের কারিগর। অবিলম্বে বিচারের আওতায় না আনলে তারেক রহমানের সরকারও দোষী হবে।

মুসলিম লীগ নেতা ও একাত্তরের রাজাকার মহিবুল হাসানের কন্যা রিজওয়ানা হাসানের আমলনামা সব!

যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই ও আজারবাইজান: সাবেক পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানার ১২ হাজার কোটি টাকা পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

পরিবেশ রক্ষার স্লোগান, সুশীল সমাজের আইকন—এই সবকিছুই ছিল ক্ষমতা দখলের সিঁড়ি এবং মহাদুর্নীতির একটি নিখুঁত ‘ক্যামোফ্লেজ’ বা ছদ্মবেশ।

সদ্য বিদায়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়া অভিযোগগুলো বিশ্লেষণ করলে এমন ভয়ংকর সব সমীকরণ সামনে আসে।

সবকয়টা উপদেষ্টা লুটেরা, ধান্দাবাজ।

শুধু রিজওয়ানা হাসান নন, বিদায়ী সরকারের দায়িত্ব ছাড়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই পুরো মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে দুদকে রেকর্ডসংখ্যক দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে।

জুলাই জঙ্গী আন্দোলনের পর যখন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতির বিচার চাওয়া হচ্ছিল, তখন নেপথ্যে চলছিল অন্য গেম।

রিজওয়ানা হাসানের ছদ্মবেশ উন্মোচিত হয়েছে।

​রিজওয়ানা হাসান যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই এবং আজারবাইজানকে অর্থ পাচারের নিরাপদ রুট হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

জানা গেছে, ​যুক্তরাষ্ট্র (মেগা লন্ডারিং): সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সম্পদের পাহারাদার হিসেবে কাজ করে ৪ হাজার কোটি টাকা এবং নিজের প্রভাবে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করেছেন।

​দুবাই কানেকশন: নিজের আপন বোনের নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।

​আজারবাইজানে কূটনৈতিক প্রতারণা: ২০২৪ সালের জলবায়ু সম্মেলনে (COP29) প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে গিয়ে কূটনৈতিক সুবিধার আড়ালে ৫০০ কোটি টাকা অবৈধ বিনিয়োগ করেছেন।

​প্রকল্প লুটপাট: পরিবেশ অধিদপ্তর ও জলবায়ু তহবিল থেকে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে আরও ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের তথ্যে দেখা যায় সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান একা নন, পুরো অন্তর্বর্তী সরকার দুর্নীতির এক মহোৎসবে মেতেছিল।

সবচেয়ে বড় বাটপার তো জঙ্গী ইউনূস। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রামীণ টেলিকম ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবস্থাপনা, আয়কর ফাঁকি, ট্রাস্টের নামে অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে।

আসিফ নজরুল, তাজুল ইসলামরা তো জামিন বাণিজ্য খুলে বসেছিলেন। সাবেক আইন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ১৮ মাসে টাকার বিনিময়ে বহু জামিন বাণিজ্য (যার মধ্যে গায়ক তাপসের জামিন অন্যতম), বিচারক পদায়নে অনিয়ম এবং সাব-রেজিস্ট্রার বদলি বাণিজ্যের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *