ঢাকা: ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৫১ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যখন আদালতকক্ষে উপস্থিত থাকেন এবং সাক্ষ্যপ্রমাণে বোঝা যায় যে তিনি অন্য একটি মামলার প্রকৃত অপরাধী তখন আদালত তাঁকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখাতে পারেন, এখন মূল প্রশ্ন আইভি রহমান কাকে খুন করেছেন?

আইভি রহমান নারায়ণগঞ্জে নিজের বাসায় ছিলেন, তাঁকে ঢাকার দক্ষিণ সিটির জুলাই যাত্রাবাড়ির হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে যার কোন সঠিক তথ্য সাক্ষ্য প্রমাণ নেই তারপরও তাঁকে দীর্ঘদিন জেলের অন্ধকার কোঠারিতে রাখে ডেভিল ইউনূস।

এবং জামিন হওয়ার পরেও আবার শোন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে!! এইতো দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে!

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে সিদ্ধিরগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী আরও একটি হত্যা মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ইন্টিরিয়র মিস্ত্রি সেলিম মন্ডল হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

কোথাকার কোন সেলিম, তা উপরওয়ালা ভালো জানে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে আইভীকে শোন অ্যারেষ্ট দেখায়।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মামলা নম্বর ৪১। ২০২৪ সালের ৩০ জুন কৃষক ওয়াজেদ আলী বাদি হয়ে ইন্টিরিয়র মিস্ত্রি সেলিম মন্ডলকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে মামলাটি নাকি দায়ের করেছিলেন।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংগঠিত সহিংসতার ঘটনায় আগুনে পুড়ে নিহত হয় ইন্টিরিয়র মিস্ত্রি সেলিম মন্ডল। মামলাটি তদন্ত করছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাছুম বিল্লাহ।

তিনি এই মামলায় তদন্তে সাবেক মেয়র আইভীর সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে আইভীকে শোন অ্যারেস্ট দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন। বিষয়টি আদালত গ্রহণ করে আইভীকে শোন অ্যারেস্ট দেখায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, ‘বর্তমানে আইভী কারাগারে থাকায় আদালতের নির্দেশে এ মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *