ঢাকা: রমজান এলেই বাজার নিয়ে চিন্তা হয় মধ্যবিত্ত রোজাদারদের। কারণ বাজারে ফলের দাম, জিনিসপত্তরের দাম দ্বিগুণ হয়।
দেখা যায় এই সময় পুরোনো ও কুৎসিত চিত্র ফুটে ওঠে। এবার ব্যতিক্রম কিছু হওয়ার আশা ছিল। কিন্তু হয়নি।
নিত্যপণ্যের দাম বাড়া প্রমাণ করছে, বাজারের নিয়ন্ত্রণ এখনো সিন্ডিকেটের হাতেই রয়েছে। দেখা যাচ্ছে বাজারে কোনো পণ্যের ঘাটতি নেই।
আসলে এগুলো পরিকল্পিত কৃত্রিম সংকট। ইফতার পণ্যের চড়া দামে দিশেহারা অবস্থা।শসা, লেবু ও বেগুনের দাম!
রমজান ত্যাগের মাস, ভোগান্তির নয়। সাধারণ মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে।
দিনাজপুরে বাজারে ফলের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। পেঁপে ছাড়া সব ফলের দাম বেশি। চড়া দামের কারণে খেজুরের বিক্রি কমেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, আপেল প্রকারভেদে ২৬০-৪৫০ টাকা, নাশপাতি ৫০০ টাকা, কমলা ৩৬০-৪০০ টাকা, মাল্টা ৩৫০ টাকা, আনার প্রতি কেজি ৫৫০-৬০০ টাকা, লাল আঙুর ৫০০-৫৫০ টাকা এবং সবুজ আঙুর ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
দেশীয় ফলের মধ্যে বরই ১০০-১২০ টাকা কেজি এবং পেয়ারা ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে তরমুজ ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সবরি কলা ৪০-৫০ টাকা হালি, আনারস ১০০ টাকা জোড়া এবং ডাব ১২০-১৫০ টাকা, বেল, শ্রীফল সাইজ অনুযায়ী ৫০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা এত বেশি দাম শুনে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। ফলে খেজুরের বিক্রি নেই।
বিদেশি ফলের কথা তো মধ্যবিত্তরা চিন্তাই করতে পারে না। আকাশছোঁয়া দাম।
