ঢাকা: দেশে আইনের নামে বেআইন চলছে। ভুয়া মামলায় গ্রেপ্তারি চলছে, সংখ্যালঘু হিন্দু পুড়িয়ে মারা হচ্ছে।
জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে সেটা আইন নয়, আইনের নামে রাষ্ট্রীয় প্রতারণা।
এক মামলায় মুক্তি মিললেই আরেক ভুয়া মামলায় আবার বন্দী এই কৌশল এখন দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনের নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমন চাঞ্চল্যকর অবস্থা দেশের।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, দেশের চরিত্র শেষ করে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তারা সাম্প্রদায়িক, সন্ত্রাসী ও উগ্রপন্থী দেশ গড়তে চায়, যেখানে নারীরা কাজ করতে পারবে না। কর্মজীবী নারীদের খারাপভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তাদের রাস্তায় নামতে দেবে না, স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে দেয়া হবে না। এ থেকে দেশ রক্ষায় গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে হবে।
আজ, রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রংপুর নগরীর সুপার মার্কেট এলাকায় গণসংযোগের সময় তিনি সাংবাদিকদের কথাগুলো বলেন।
জিএম কাদের বলেন, একই দিনে সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট হতে পারে না। গণভোট করবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। বর্তমান সরকারের গণভোটের আয়োজন বেআইনি।
বলেন, তারা বাইরের কোনো শক্তির প্ররোচনায় আধিপত্যবাদ কায়েম করতে চাচ্ছে। চিহ্নিত খুনিদের ছেড়ে দেয়া হচ্ছে আর নিরীহ মানুষকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে জেলে দেয়া হচ্ছে। সর্বক্ষেত্রে অন্যায়-অত্যাচার করা হচ্ছে। ইনকিলাব বলে দেশ ধ্বংসের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের সংগ্রাম।
