ঢাকা: বাস্তব একটা প্রশ্ন হচ্ছে, হাদি কি কোনোদিন কারো উপকারে এসেছেন? তাঁর দাঁড়া দেশের কি একটা উপকার হয়েছে? হয়নি। বরং ভারতবিরোধী এই হাদি বাংলাদেশের জনগণকে ভারতের বিরুদ্ধে আরো উস্কে দিয়েছেন।

হাদির লাশ দরকার ছিলো তাই ফেলে দেয়া হয়েছে।

হাদির মৃত্যুর পর ব্যাপক হিংসা ছড়িয়েছিল। হামলা হয় চট্টগ্রামের ভারতীয় দূতাবাসে, সংবাদমাধ্যমে, বঙ্গবন্ধুর মুজিবর রহমানের বাড়িতে, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটেও ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরায় মৌলবাদীরা।

ছাত্রনেতাকে খুনের প্রতিবাদের নামে নিশানা করা হয় সংখ্যালঘুদের। অন্তর্বর্তী সরকার যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় অপারগ, তা স্পষ্ট।

এখন দেশের মানুষ সবাই হেসে হাদি হতে চায়। তাঁর মুখের অশ্লীল ভাষা ছোট থেকে বড়দের মুখে ঘুরছে। এই শিখিয়ে গেছেন নেতা।

আবার তাঁর স্ত্রী এখন উস্কানি দেয়া শুরু করলেন।

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তার স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রশ্ন করে লিখেছেন, ‘ওসমান হাদির হত্যার বিচার কি আদৌ হবে?’ লেখেন, ইনকিলাব মঞ্চ কোনো প্রোগ্রামের ডাক কেন দিচ্ছে না!

পোস্টে রাবেয়া ইসলাম সম্পা লিখেছেন, প্রথমত, বিচার হবে না এ শব্দটাকেই মাথায় আনা যাবে না। বিচার হতেই হবে সেটা যে কোনো মূল্যে। বিচার আদায় না হলে ওসমান হাদিরা, বিপ্লবী বীরেরা এদেশে আর জন্মাবে না।

তিনি লিখেছেন, তবে এত দেরি বা সময় কেন লাগছে?

“জাস্ট মনে রাখবেন ওসমান হাদি বলে গিয়েছেন—আমাদের লড়াই অনেক দীর্ঘ। মুমিনের জীবন মানেই লড়াই সংগ্রাম। তাই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে”।

হাদির স্ত্রী লিখেছেন, ইনকিলাব মঞ্চ নিয়ে শহীদ ওসমান হাদির নিজের বলা কয়েকটা কথা আপনাদের জানাতে ইচ্ছে হলো—‘আমার প্রথম সন্তান ইনকিলাব মঞ্চ, দ্বিতীয় সন্তান ফিরনাস। পোলাপানগুলারে বেতন দেই না, ঠিকভাবে খাবারও খেতে পারে না কাজের জন্য। নিঃস্বার্থ ভাবে আমার সঙ্গে লেগে থাকে। ওদের ভবিষ্যতের চিন্তাও ওদের নাই। আমার তো ওদের ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে হবে ডিয়ার।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *