মৌলভীবাজার: বাংলাদেশে চলছে জাতীয় নির্বাচন, ক্ষমতায় আসবে নির্বাচিত সরকার। কিন্তু সংখ্যালঘুদের কী হবে?
হিন্দুরা কী থাকবে, থাকতে পারবে? নাকি শ্মশানেই তাদের অকালে যেতে হবে?
সংখ্যালঘুরা একালেও ভালো নেই, সেকালেও ভালো ছিলো না। সংখ্যালঘুরা শুধু ভোট কার্ড এদেশে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোটা দেশ জুড়ে যখন নিরাপত্তার চাদর মোড়া হয়েছে, সেখানেই খুন হয়ে গেলেন আরও এক সংখ্যালঘু হিন্দু।
বাংলাদেশে ভোটের আগের দিনই খুন হন এক হিন্দু যুবক। সিলেটে মৌলভীবাজার এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহত যুবকের নাম রতন সাহুকার।
পেশায় তিনি চা শ্রমিক ছিল বছর আঠাশের যুবক। বুধবার সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়।
রতনের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে। যখন দেহ উদ্ধার হয়, তখনও ক্ষতস্থান থেকে রক্ত বের হচ্ছিল। রতনের সহকর্মীদের দাবি, তাঁকে খুন করা হয়েছে।
এত নিরাপত্তা, তাহলে কীভাবে এর মধ্যেও খুন হয়ে গেলেন রতন? এর জবাব দেবে ইউনূস গং? প্রশাসন? নাকি দোষীদের শায়েস্তা করবে?
এর আগে ময়মনসিংহে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে খুন করা হয়েছে। মৃতের নাম সুষেণচন্দ্র সরকার (৬২)। পেশায় তিনি চালের ব্যবসায়ী।
দুষ্কৃতীরা তাঁকে কুপিয়ে খুন করে এবং দেহ দোকানের ভিতরে রেখে শাটার বন্ধ করে চলে যায়।
আহারে হিন্দু! আজ হিন্দু হবার জন্যে বেঘোরে প্রাণ হারাচ্ছে এক একটা মানুষ! বিচার নেই!
