ঢাকা: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আর এই আবহে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা কিংবা উন্নতির কথা শোনা যাচ্ছে জামাত বিএনপির মুখে মুখে।
তবে কাজের বেলায় এরা, এদের আদর্শ এক। এরা এককথায় হিন্দু বিরোধী।
আর ভোট যত এগিয়ে আসছে হিন্দুদের উদ্বেগ বাড়ছে। বাংলাদেশে নির্বাচনের আবহে উত্তেজনাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আসন্ন নির্বাচনের আগের মাসগুলিতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে সংখ্যালঘুরা, বিশেষ করে হিন্দুরা ক্রমশ নিরাপত্তাহীন বোধ করছে। আতঙ্ক ভুগছে তারা।
এদিকে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো যে ইশতেহার দিয়েছে, তাতে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ ও অধিকার নিশ্চিতের নিশ্চয়তা না পাওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
শনিবার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি দাবি করে, বিএনপিসহ দেশের প্রায় সব প্রধান রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও অধিকার রক্ষার বিষয়টি উপেক্ষা করেছে।
বিবৃতিতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জানায়, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল এবং জোটগুলোর এই উপেক্ষা সংখ্যালঘু ভোটারদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।
বলা হয়, ‘নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল এবং জোটসমূহের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে উপেক্ষা এবং অবহেলার নেতিবাচক প্রভাব নির্বাচনেও প্রতিফলিত হতে পারে’।
পরিষদের অভিযোগ, সংবিধানের রাষ্ট্রীয় নীতিমালায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় স্বাধীনতার যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা রাজনৈতিক দলগুলোর ঘোষণায় প্রতিফলিত হচ্ছে না।
সংগঠনটি আরও জানায়, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির বক্তব্য ও অবস্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে ‘নির্বাচনের রাজনৈতিক বিষয়’ হিসেবে দেখার প্রবণতা উদ্বেগজনক।
