ঢাকা: ইউনুস মবগ্যাং ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে সারা দেশ জুড়ে ছিনতাই, ডাকাতি ,খুন, ধর্ষণ, মব জাস্টিস ঘটছিলোই, তবুও নির্লজ্জ সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর বলে দেশ ঠিক আছে।

এমন কোনো দিন যায়নি মব হয়নি, খুন হয়নি। জনগণ ঘরের চৌকাঠ পেরোতে ভয় পেতো। এই মবের উস্কানিদাতা কারা? আবার নিশ্চয়ই বলে দেয়ার প্রয়োজন নেই।

রাষ্ট্রকে অশান্ত করতে দূরদর্শী ইউনূস ছাত্রদের অশান্ত করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করেছেন।

সারা জীবন মানুষকে বোকা ব্যনিয়েছেন এই বুদ্ধিমান।তাইতো তিনি এতো শত কোটি টাকার মালিক।

ক্ষমতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে একসময় ছিল তাদের দৃপ্ত পদচারণা।প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা দখল করে, মঞ্চে উচ্চারিত হয় মানবাধিকার রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকার।

সেই সরকারের প্রধান ছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. ইউনূস—যিনি দলমত-নির্বিশেষে নাগরিক অধিকার সুরক্ষার আশ্বাস দিয়েছিলেন বারবার। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি এক শতাংশও।

১৮ মাস পর অন্তর্বর্তী সরকারের সমাপ্তি হলো।

এখন নাকি সেই মবের ভয়ে শঙ্কায় রয়েছেন কয়েকজন সাবেক উপদেষ্টা। কর্মফল কীভাবে আসে দেখছেন তো?

সরকারি বাসভবনের কঠোর নিরাপত্তা বলয় তাদের কাছে যেন শেষ আশ্রয়। তারা বাসা ছাড়তে ‘অনীহা’ প্রকাশ করেছেন।

তবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বার্তা স্পষ্ট—চলতি মাসেই ছাড়তে হবে তাদের বাসভবন। বিশেষ ক্ষেত্রে এক-দুই মাস সময় পাওয়া যেতে পারে, তবে মার্চ বা এপ্রিল থেকে গুণতে হবে ভাড়া।

চব্বিশের আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সংঘাত-সহিংসতায় হাজার হাজার মানুষ নিহতের ঘটনায় নীরব প্রশ্রয় দিয়েছে ইউনূস সরকার।

একটা প্রতিবাদ হয়নি একটা শাসন নেই। আইন আদালত তো নেইই।

নদীগুলো হয়ে উঠেছিল লাশের ভাগাড়। গড়ে প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত লাশ মিলেছে নদীগুলোতে।

এখন কেন তাঁদের ভয়?

তসলিমা নাসরিন লিখেছেন: হাহাহা।মব-সন্ত্রাস প্রশ্রয়দাতারা মানুষকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করেছে। কিন্তু নিজেরা মব-সন্ত্রাসের শিকার হতে চায় না।

অন্যেরা মরলে ঠিক আছে, নিজেরা মরবো না। তাই না? এরা আঠারো মাস ব্যস্ত ছিল দুর্নীতি করে টাকা পয়সা লুঠ করায়, আখের গোছানোয়। খুশি হবো কয়েকটা অসৎ উপদেষ্টা যদি মব-সন্ত্রাসের শিকার হয়। পথচারীরা, ভিডিও করতে যেন ভুলো না”।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *