ময়মনসিংহ: দীপু চন্দ্র দাসকে কী মনে আছে দেশবাসীর? অবশ্য দেশবাসীর মনে থাকলেও মনে নেই সরকারের।

দীপু চন্দ্র দাস বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক ব্যক্তি। যার জীবনের কোনো দাম নেই। তাই পিটিয়ে, গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে।

কোনো দোষ না করেই বর্বরভাবে হত্যা করা হলো দীপুকে। আর যদি দোষ করতেন তাহলে কীভাবে মারতো এই মুসলমান ধর্মান্ধরা?

আর এই দীপুকে পোড়ানোর ঘটনায় নেতৃত্ব দিয়েছিলো এক ইমাম! এই জায়গায় এক পুরোহিত হলে সেই পুরোহিতের কী দশা হতো? অবশ্য ইমাম গ্রেপ্তার হলেও ভবিষ্যৎ কী সেটা ভবিষ্যৎই বলবে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাসকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ‘নেতৃত্ব’ দেওয়া ইমামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকা থেকে বুধবার বিকালে তাকে আটক করা হয় বলে ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মামুন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তার ২৫ বছর বয়সী ইয়াছিন আরাফাত ভালুকার দক্ষিণ হবিরবাড়ি এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে।

এবার কী বলবে ইমাম সমাজ? ইসলাম সমাজ? জঙ্গী সমাজ?

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের সময় ফ্যাক্টরির গেইটে স্লোগান দিয়ে লোকজন জড়ো করে দিপুকে হত্যার পর রশি দিয়ে লাশ টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় লাশ পোড়ানোর নেতৃত্ব দেয় এই ইয়াছিন আরাফাত।

গত ১৮ ডিসেম্বর হত্যাকাণ্ডের পর ইয়াছিন আত্মগোপনে চলে যায়। দীর্ঘ ১২ দিন পলাতক অবস্থায় সে ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকায় বিভিন্ন মাদ্রাসায় অবস্থান করে।

আত্মগোপনের অংশ হিসেবে সে সুফফা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা শুরু করে।’

দিপু হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ২১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *