ঢাকা: আগামি ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্মৃতিসৌধ এলাকার অভ্যন্তরে সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ থাকবে।
বলা হচ্ছে, যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে, স্মৃতিসৌধ এলাকার অভ্যন্তরে সর্বসাধারণের প্রবেশ বন্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সরকারি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য বলা হয়েছে।
এছাড়া, ১৬ ডিসেম্বর সকালে ভিভিআইপি ও ভিআইপিরা কর্তৃক পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা স্মৃতিসৌধ ত্যাগ না করা পর্যন্ত, জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশ সকাল ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
ওই দিন সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগানের কোনোরূপ ক্ষতি না করার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে দেশজুড়ে চলছে বিশেষ কর্মসূচির প্রস্তুতি।
১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবসের দিন সকাল ১১টা থেকে ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী ও বিমানবাহিনী পৃথকভাবে ফ্লাই পাস্ট মহড়া পরিচালনা করবে।
১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবের দিন। যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, সেদিন রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের সামনে বিজয়ী বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল।
সেই বিজয়ের স্মৃতি বহন করে আসছে প্রতি বছরের কুচকাওয়াজ। কিন্তু টানা দুই বছর ধরে সেই ঐতিহ্যবাহী কুচকাওয়াজ বাতিল করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়ে দিয়েছেন, এবারও জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজ হবে না।
প্রশ্ন হলো, কেন? কোন যুক্তিতে একটি স্বাধীন দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসে সামরিক কুচকাওয়াজের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান বাতিল করতে হবে?
