ঢাকা: জামাতের মতো ধার্মিক মুসলমান নাকি নেই? তা ঈদের মতো পবিত্র দিনেও কীভাবে জামায়াত গণভোটের কথা ভুললো না?

এদের মতো বাটপার, রাজাকার আর ধান্দাবাজ পৃথিবীতে আর দুটো নেই। ক্ষমতায় না গিয়েই এত জোর জুলুম, ক্ষমতায় গেলে তো দুইদিনও লাগবে না দেশ বিক্রি করে পাকিস্তানে যেতে!

জামাত শরিয়া আইন আনতে চায় বাংলাদেশে। ছলে বলে কৌশলে অন্তরীণ করতে চায় মেয়েদের।

মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকার বয়ে চলা সংবিধান বাতিল করে দেশকে একটি সাম্প্রদায়িক, অমানবিক রাষ্ট্রে পরিণত করার গণভোট।

একাত্তরের সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশে একটি মৌলবাদী ও স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি করতেই গণভোটের নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে।

এটি জনগণের মতামত নেওয়ার উদ্যোগ ছিলো না, বরং সংবিধান ভাঙার রাজনৈতিক কৌশল।

গণভোট নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।

সরকার গণভোটের রায়ের বিরোধিতা করলে সেটি হবে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

আজ শনিবার সকালে ঈদ জামাত শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি এ কথা বলেন।

অর্থাৎ তারা দোয়া করবে কি শুদ্ধ মনে, গণভোট আর ক্ষমতার কথা চিন্তা করতে করতে রাতের ঘুম আসে না।

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, জনগণের কাছে আমরা যখন গেছি, দুইটা ভোট চেয়েছি—একটা গণভোট, আরেকটা আমরা চেয়েছি সংসদ নির্বাচনের ভোট। জনগণ তো দুটি ভোটই দিয়েছে।

একটা হালাল হলে আরেকটা হারাম হবে কেন? আর একটা যদি হারাম হয়, তাহলে আরেকটা হালাল হয় কীভাবে? এটা যারা এখনো বোঝেন নাই, অর্থাৎ সরকারি দল, তারা যত তাড়াতাড়ি বুঝবেন, সংকট তত তাড়াতাড়ি কাটবে।’

‘তারাও জাতির সামনে কথা দিয়েছেন, তারাও গণভোটের কথা বলেছেন, তারাও গণভোটকে সমর্থন করেছেন। এখন যদি এটার বিরোধিতা করেন, এটা হবে খুবই দুঃখজনক। আমরা চাই জনতার সর্বোচ্চ রায়কে সবাই যেন সম্মান করে। যদি এটা হয়, আলহামদুলিল্লাহ ভালো। যদি না হয়, তাহলে এ আকাঙ্ক্ষা যে বিশাল জনগোষ্ঠী পোষণ করে—৭০ ভাগ মানুষ, আমরা তাদেরকে সাথে নিয়ে এই দাবি আদায় করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ,’ যোগ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা যাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদের কাছে আমাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে; শহীদদের কাছে, আহতদের কাছে, পঙ্গুদের কাছে, জুলাই যোদ্ধাদের কাছে, নির্বিশেষে বাংলাদেশের মুক্তিকামী সমস্ত মানুষের কাছে।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *