ঢাকা: ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াকআউট করে জামায়াত জোটের সাংসদরা। রাজাকারের দলেদের সহ্য হয়নি।

এগুলো জামাত আর এনসিপির নাটক।

২০২৪ সালে নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সময় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং নাহিদ, আসিফ সহ অন্যান্য উপদেষ্টাদের শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনই শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছিলেন নাহিদ সহ সকল উপদেষ্টাকে।

তখন তো ঠিক পাঠ করেন তাঁরা ! তখন কি জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারী করা হয়নি? এরা জাতে মাতাল তালে ঠিক।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বক্তব্যের জন্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অধিবেশন কক্ষে প্রবেশের ঘোষণা দেওয়া হলে জামায়াত জোটের এমপিরা আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান।

সংবিধানবিরোধীরা পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ সময় তারা ‘জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি চলবে না’ লেখা লাল রঙের কার্ড প্রদর্শন করেন।

সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রবেশ করলে প্রচলিত রীতিতে সংসদ নেতা ও সরকারি দলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে তাকে অভিবাদন জানান।

তবে দেখা যায় বিরোধী দলের সদস্যদের একটি অংশ প্রতিবাদের অংশ হিসেবে নিজেদের আসনে বসে থাকেন।

বিউগলে জাতীয় সংগীত বাজা শুরু করলে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সংসদের কর্মকর্তারা জাতীয় সংগীতের প্রতি সম্মান জানিয়ে সদস্যদের দাঁড়ানোর অনুরোধ করেন।

দেখা যায়, কেউ কেউ দাঁড়ালেও কয়েকজন সদস্য বসে ছিলেন। একে একে সবাই একটা সময় দাঁড়িয়ে যান।

স্পিকার বলেন, “আমরা সংবিধানের বিধান ও জাতীয় সংসদের রেওয়াজ অনুসরণ করতে চাই। দয়া করে আপনারা খারাপ কোনো দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন না।”

কিন্তু সংবিধান বিরোধীরা স্লোগান দিতে দিতে অধিবেশন কক্ষ থেকে বের হয়ে যান।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *