টাঙ্গাইল: জামাত নারী নিরাপত্তা দেবে? তাদের ফাঁদে পা দেয়া মানে মৃত্যু। নারীদের এরা গণিমতের মাল ছাড়া কিচ্ছু ভাবে না। কর্মজীবী নারীদের কী বলেছেন শফিকুর রহমান? পতিতা!
নারী নিরাপত্তা দেয়ার নামে তাদের ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করা শুরু হয়ে গেছে।
ভূঞাপুরে ভোট চাইতে গিয়ে এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার মেঘার পটল গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে। চারজনের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর স্বামী।
অভিযুক্তরা হলেন—ইব্রাহীমের ছেলে শহিদুল (৩০), আনোয়ার হোসেনের ছেলে সোহেল (২৫), আলী আকবর মুন্সির ছেলে এনামুল (৩২) এবং আকবর ফকিরের ছেলে আল আমিন (৩০)।
অভিযোগে বলা হয়, একই এলাকার শহিদুলসহ চারজন ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়েছিলেন।
সে সময় মহিলা একাই বাড়িতে ছিলেন। কেউ না থাকায় গৃহবধূ তাদের চলে যেতে বলেন।
কিন্তু তারা জোরপূর্বক ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিতে চাপ প্রয়োগ করে। গৃহবধূ জানান, তিনি ভোটার নন এবং তার পরিবারের সদস্যরা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেবেন।
এতে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, শহিদুল নামের একজন হঠাৎ গৃহবধূকে ধরে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। অন্যরা তার কাপড় ধরে টানাহেঁচড়া করতে থাকে। এবং সবাই মিলে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়।
সে সময় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন একা গৃহবধূ। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালায়।
আবার হুমকি দিয়ে যায় যেন ঘটনা প্রকাশ না পায়।
তবে এতবড় ঘটনার পর দোষীদের শাস্তি হবে, এটা উড়িয়ে দেয়াই ভালো। কারণ প্রশাসন শায়েস্তা করলে জামাত থানা ঘেরাও করবে, হুমকি দেবে, পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনবে।
