ঢাকা: জামায়াতের কথা শুনে অলিও হাসে।
গণহত্যা, ধর্ষণ ও দেশদ্রোহের নোংরা চেহারা যাদের তারা আবার নারী স্বাধীনতার কথা বলে!
১৯৭১-এ পাকিস্তানি সেনাদের বিশ্বস্ত দোসর হয়ে এরা দেশকে রক্তে ভাসিয়েছিল। মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা, নারীদের সম্ভ্রমহানি, গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া—সব ছিল জামায়াতের এই নরপিশাচের পরিকল্পিত অপরাধ।
ধর্মের মুখোশে লুকিয়ে থাকা এই নোংরা রাজনীতি প্রমাণ করেছে—জামায়াত মানেই বিশ্বাসঘাতক, খুনি আর ধর্ষকের দল।
জামায়াত মানেই বিশ্বাসঘাতকতার কারখানা। ৭১-এ যারা পাকিস্তানের দালালি করেছে।
জামায়াত মানেই নারী স্বাধীনতা বিরোধী। নারীকে বন্দি করে যতরকম কুকর্ম আছে সব জামায়াতের সিদ্ধহস্ত।
তবে তারা স্বীকার করে না।
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের বোরকা পরতে জোর করা হবে—এমন অভিযোগ ‘ভয় দেখানো’র কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে কাউকে কোনো পোশাক পরতে বাধ্য করা হবে না। নারী–পুরুষ সবার নিরাপত্তা, সম্মান ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তাদের প্রতিশ্রুতি।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর মিরপুরে রূপসী প্রো-অ্যাকটিভ ভিলেজ রোডে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকার মহানগর উত্তর পেশাজীবী পরিষদ।
নারী অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যোগ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী নারীরা দেশগঠনে ভূমিকা রাখবেন।
বর্তমানে নারীদের নিরাপত্তা ও সম্মান নেই উল্লেখ করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
বলেন, ‘মায়েদের ব্যাপারে ভয় দেখানো হয়—জামায়াত ক্ষমতায় এলে সবাইকে একটা করে কালো চাদর পরাবে, শুধু চোখ খোলা রাখবে। ইসলামের বিধানে চোখ খোলা রাখাও আছে আবার মুখ খোলা রাখাও আছে। হ্যাঁ, কেউ যদি চোখও না ঢাকেন, মুখও না ঢাকেন—জামায়াতে ইসলামী কাউকে জোর করে বলবে না।
এই কল্যাণ রাষ্ট্রের সৌন্দর্য উপলব্ধি করে, আগ্রহী হয়ে নারীরাই সৌন্দর্যের শালীন পোশাক কবুল করে নেবেন, ইনশা আল্লাহ।’
