ঢাকা: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে অজুহাত করে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হলো দুটো পত্রিকা অফিস এবং ছায়ানট, উদীচী সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে।

এমন এমন জায়গায় আক্রমণ করা হয়েছে যেগুলো সংস্কৃতির জায়গা।

এইসবের ফাঁকে শঙ্কা ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন কি হবে আদৌ? পুরো দেশ এখন উগ্রপন্থীর হাতে জিম্মি।

কোনো তদন্ত নয়, কোনো আইন নয় বরং সংঘবদ্ধ উন্মাদনায় একজন মানুষকে হত্যা ও লাশ পোড়ানো রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার চূড়ান্ত দলিল এবং মানবাধিকারের বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ।

বাংলাদেশ এখন আর কোনো স্বাভাবিক রাষ্ট্রীয় শাসনের অধীনে নেই। বলতে পারেন কোন সভ্য দেশে এইরকম মৃত্যুর লাইন লাগে?

দেশকে ইচ্ছাকৃতভাবে ঠেলে দেওয়া হয়েছে নিয়ন্ত্রিত অরাজকতা, রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা ও ভয়ভিত্তিক শাসনের অন্ধকার খাদে।

দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার–এর অফিসে অগ্নিসংযোগ মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি ফ্যাসিবাদী আঘাত।

ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো, গণমাধ্যমে অগ্নিসংযোগ, সংস্কৃতিতে আঘাত এবং সংখ্যালঘু হত্যাকাণ্ড সব নকশাবদ্ধ রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদের অঙ্গ, যা গত দুইদিন আরও নিষ্ঠুর, আরও নির্মম ও আরও প্রকাশ্য রূপে বাস্তবায়িত হয়েছে।

এই অবৈধ শাসন যতদিন টিকে থাকবে, ততদিন আগুন জ্বলতেই থাকবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *