ঢাকা: বাংলাদেশ আর হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাসযোগ্য নয়। মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা নেমে আসছে। ইসলাম মৌলবাদী গোষ্ঠীর সন্ত্রাসের শিকার হয়ে হিন্দুরা সর্বস্বান্ত। প্রাণ হাতের তালুতে নিয়ে তাঁরা বাস করছেন এই দেশে।

ক্রমবর্ধমান নৃশংসতা, হিংসার ঘটনায় এবার মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারকে চরম বার্তা দিল ভারত।

টার্গেট কিলিং করা হচ্ছে হিন্দুদের। হিন্দুদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা এবং অসংখ্য মন্দির ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

দিল্লির তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মৌলবাদে লাগাম টেনে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউনূস প্রশাসনকে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।

শুক্রবার বিদেশমন্ত্রকের নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠকে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, “আমরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর উগ্রপন্থীদের হামলার এক উদ্বেগজনক প্রবণতা বারবার লক্ষ্য করছি।

তাঁদের বাড়িঘর, উপাসনালয় ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হচ্ছে। এই ধরনের সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না।”

তবে ইউনূস সরকার যে এই সাম্প্রদায়িক হামলাকে ব্যক্তিগত সংঘর্ষ বলছেন, সেকথাও উল্লেখ করেছেন জয়সওয়াল।

এই ধরনের নৃশংস ঘটনাগুলোকে অনেক সময় ‘ব্যক্তিগত শত্রুতা’ বা ‘রাজনৈতিক বিরোধ’ হিসেবে তকমা দিয়ে লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়। ভারতের দাবি, এই ধরনের প্রবণতা অপরাধীদের আড়াল করে এবং তাঁদের আরও সাহসী করে তোলে। এর ফলে সাধারণ সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও চরম নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *