ঢাকা: বাংলাদেশে সন্ন্যাসীদের পরিস্থিতির কখনও পরিবর্তন হয়নি।’ বিএনপি, হাসিনা বা জঙ্গী ইউনূস- সবার আমলেই বাউলরা আক্রমণের মুখে পড়েছেন। তাদের ঐতিহ্যকে চূর্ণ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
মৌলবাদী গোষ্ঠী বাউল সহ্য করে না। বহুবার আক্রমণ হয়েছে তাদের ওপর।
মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এই দেড় বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার মৌলবাদীদের স্বাধীনতা দিয়েছে। একের পর মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড ঘটেছে, টু শব্দ করেননি তিনি।
বাউল-সন্ন্যাসীদের প্রকাশ্যে নির্যাতন করা হয়েছে। ইউনূস নিজেই আমেরিকা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। মৌলবাদী শক্তিগুলি তার ইচ্ছামতো কাজ করেছে।
এবং ইউনূস ক্ষমতায় না থাকলেও বাউলদের ওপর আক্রমণ করার জন্য মৌলবাদী জঙ্গীর অভাব নেই।
এরা চায় না যে দেশে বাউল ও ফকিরদের অস্তিত্ব থাকুক।
এর আগে বাউল গায়ককে গ্রেফতার করা হয়েছিলো, তিনি তো আল্লার কথা বলেছিলেন। কুরআন থেকে বলেছিলেন। অথচ তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
বাউলরা এখনো ভয়ে দিন কাটান। লালন ভক্তরা যাতে দোল পূর্ণিমা উৎসব নির্বিঘ্নে উদ্যাপন করতে পারেন, সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে খোলা চিঠি দিয়েছেন।
১৩টি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চিঠি দিয়েছেন লালন একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন।
শনিবার প্রকাশিত এই চিঠিতে বলা হয়, “আগামী ৩ মার্চ পবিত্র দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে লালনের আখড়াবাড়ীসহ ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধুসমাজের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানাদি অনুষ্ঠিত হবে। ফকির লালন শাহ্ এর জীবদ্দশায় তিনি এই অনুষ্ঠান পালন করতেন।
“উল্লেখ্য যে ধর্ম-বর্ণ-জাতি-গোত্র ভেদ উপেক্ষা করে বিশ্বময় মানবতাবাদী মানুষ এই পূর্ণিমা পালন করে থাকেন। এই প্রেক্ষিতে আমরা লালন সাধুদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং নির্বিঘ্নে দোল পূর্ণিমা উৎসব অনুষ্ঠান পরিচালনার লক্ষ্যে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”
ঐ ‘খোলা চিঠিতে’ মোট আটটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়েছে।
আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা।
আখড়াবাড়ি সুরক্ষা।
হয়রানি ও কটূক্তি প্রতিরোধ।
স্বাধীন চলাচলের নিশ্চয়তা প্রদান।
সরকারি সমন্বয় কমিটি গঠন।
সাধু কল্যাণ তহবিল বিবেচনা।
লালন আখড়াবাড়ি সমাধি পুনঃনির্মাণ।
