ঢাকা: এবার বৈধ অস্ত্র জমা দেয়ার আল্টিমেটাম। এই জঙ্গী সরকার, আর মিথ্যাবাদী স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দেশটাকে একদম হাতের তালুতে নিয়ে খেলছেন।
বৈধগুলো জমা নিয়ে নিলে অবৈধগুলো ভাল ভাবে কর্যকর করতে পারবে।অবৈধগুলো হাতে থাকুক আর বৈধগুলো জমা। সরকারের এক একটা সিধান্তে জনগণ আকাশ থেকে পড়ে।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আশানুরূপ সাফল্য নেই! একদিকে রাজনৈতিক বিশেষ ব্যক্তিদের গ্যান ম্যান দেওয়া হচ্ছে অপর দিকে বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ! আসলে মানুষের জান ও মালের নিরাপত্তাটা কোথায়?
সরকার এমন ভাব দেখাচ্ছে যেন ৩১ জানুয়ারির পর দেশ অস্ত্রমুক্ত হয়ে যাবে।
বলা হচ্ছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বৈধ অস্ত্র নিকটস্থ থানায় জমা দিতে বলা হয়েছে।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশ দেয়া হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঘোষিত তফসিল অনুসরণে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের আগ্নেয়াস্ত্র বহন-প্রদর্শন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
তবে রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী বরাদ্দ বৈধ অস্ত্রের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশনে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল ও গৃহীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এবং তার জন্য অনুমোদিত সশস্ত্র রিটেইনারের ক্ষেত্রে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধকরণ-সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এ আদেশ লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রশ্ন হচ্ছে, অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিষয়ে সরকারের এত হেঁয়ালি কেন? বৈধ অস্ত্রের তো তারিখ দিয়ে দিলো। দেশের আনাচে কানাচে অস্ত্র ভরা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে উত্তর আছে?
