চট্টগ্রাম: বন্দর রক্ষায় আন্দোলনকারীদের ওপর আবার নেমে এলো ইউনুস বাহিনীর ন্যক্কারজনক হামলা! পুলিশের লাঠিচার্জে রক্তাক্ত ও আহত অনেক।
চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল ও পানগাঁও নৌ টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিল এবং নিউমুরিং ও পতেঙ্গা টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে বাসদ, জাসদ, সিপিবিসহ বামপন্থী জোট ও দলগুলো সমাবেশ করেছে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সমাবেশ শেষে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলের সময় পুলিশ মারাত্মকভাবে লাঠিচার্জ করে। আন্দোলনকারীদের মাথা ফাটিয়ে ফেলা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যমুনার দিকে যাওয়ার পথে কাকরাইল মোড়ে বাম মোর্চার কর্মীদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।
পরে দেখা যায় পুলিশের বাধার মুখে কাকরাইল মোড়ে বসে পড়েন আন্দোলনকারীরা।
পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী বাম গণতান্ত্রিক জোট, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা, বাংলাদেশ জাসদ ও জাতীয় গণফ্রন্টের নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দেন।
আন্দোলনকারীরা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে যমুনা ভবন ঘেরাও করতে জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে মিছিল নিয়ে রওনা দেন।
এ সময় বিভিন্ন স্লোগান তুলতে থাকেন তারা। আমার দেশের মোহনা, বিদেশিদের দেবো না; বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার, বিদেশিদের হবে না; পুলিশ দিয়ে আন্দোলন, বন্ধ করা যাবে নাসহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা।
মিছিলটি কাকরাইল মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ বাধা দেয়। এরপর সেখানেই বাম জোটের কয়েকজন নেতা বক্তব্য দেন।
তারা পরিষ্কার বলেন, বিদেশি কোম্পানির কাছে চট্টগ্রামসহ দেশের বন্দরগুলো সরকার ইজারা দিয়ে দিয়েছে। এর ফলে দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হলো।
তাঁরা বলেন, কোনোভাবেই দেশের বন্দর বিদেশিদের হাতে না দেওয়া যাবে না।
