ঢাকা: সরকার বদলেছে কিন্তু আওয়ামী লীগের ওপর নির্যাতন এখনো অব্যাহত রয়েছে। এবং কারা হেফাজতে চলছে হত্যা।
এইসব বন্ধের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে লেখা হয়েছে,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছে যে ভিন্নমত দমনে প্রতিহিংসা চরিতার্থের জন্য অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের সময়ও রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে অত্যাচার-নির্যাতন দমন-পীড়ন চলছে।
রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার ও কারা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
একের পর এক গ্রেফতার, নির্বিচার রিমান্ড এবং হেফাজতে মৃত্যুর সংবাদ জাতিকে ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ করছে।
সম্প্রতি রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে কোনো ধরনের মামলা বা অপরাধ ছাড়া আওয়ামী লীগের নারী নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
পাশাপাশি গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের নেতা উপাধ্যক্ষ শামিকুল ইসলাম, পটুয়াখালী জেলার দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম খানকে কারা হেফাজতে হত্যা করা হয়েছে।
নগ্নভাবে বিরোধী মত দমন, ভিন্নমতকে ভয় দেখানো এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার অপচেষ্টা কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়। গণগ্রেফতার ও হেফাজতে মৃত্যু শুধু মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনই নয়, বরং ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের পরিপন্থী।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ স্পষ্টভাবে মনে করে, বিচারবহির্ভূত নিপীড়ন, অমানবিক আচরণ এবং কারাগারে নিরাপত্তাহীনতার দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ কারও নেই।
প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও মর্যাদা রক্ষার সাংবিধানিক দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কারা হেফাজতে যে কোনো মৃত্যুর নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
বিবৃতি শেষ করা হয়, জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু দিয়ে।
