ঢাকা: হিন্দুদের নিরাপত্তা নেই এই দেশে। আর কত নাটক দেখবে দেশবাসী? হাতের তালুর মধ্যে হিন্দুরা জীবন নিয়ে ঘোরে!

ভালুকার হবিরবাড়ীতে ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য হারানোর ঘটনা নয়—এটি বাংলাদেশের আইনের শাসনের মুখে চরম থুতু ছোড়ার নামান্তর।

তথাকথিত ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে সংঘবদ্ধ উগ্রপন্থিরা কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে এক নিরীহ মানুষকে প্রকাশ্যে নির্মমভাবে পিটিয়ে অর্ধমৃত করে, পরে জীবন্ত অবস্থায় গলায় রশি বেঁধে গাছে ঝুলিয়ে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে।

উগ্রপন্থী গোষ্ঠী যেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে তাতে সনাতনীরা এই মাটিতেই পা দেয়ার অধিকার হারাবে দুইদিন পর!

সনাতনী তো আছেই, তাছাড়াও যেভাবে সেভাবে কোপানো হচ্ছে, মানুষ মারা হচ্ছে দেশে। কেন মারা হচ্ছে? এই প্রশ্ন কেউ করতে পারবে না।

অথচ এই দীপু চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে কোনোরকম ধর্ম অবমাননার অভিযোগ নেই। সব ভুয়া! মিথ্যা অভিযোগে এইভাবে একটা জ্যান্ত মানুষকে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে! এটা কোনো সভ্য দেশের মানুষ করতে পারে?

এতবড় ঘটনা অথচ ইউনূস নির্বিকার।
আইন হাতে তুলে নেওয়ার এই বর্বরতা সরাসরি রাষ্ট্রব্যবস্থাকে অস্বীকার করার শামিল।

এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। অবৈধ জামাতি ইউনুসের ও উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ভয়াবহ নির্যাতন ও হত্যা ধারাবাহিকভাবে চলছে।

হিন্দুরা বরাবরই টার্গেট ধর্মান্ধ মুসলমানদের কাছে। ৫ আগস্টের পর এই জঙ্গী কর্মকাণ্ডগুলো আরো প্রকট হয়ে পড়েছে।

এই নৃশংসতার বিচার না হলে, পরের টার্গেট যে কে—তা শুধু সময় বলবে!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *