ঢাকা: অ্যালকোহলসহ আটক হন দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
বিদেশ থেকে ফেরার পথে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ তল্লাশিতে ১৪ বোতল অ্যালকোহলসহ আটক করা হয় তাঁকে। তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবং চলচ্চিত্র পরিচালক শঙ্খ দাসগুপ্ত।
ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্যে দেশে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরার পর বিএস-২১৮ নম্বর ফ্লাইটে আগত তিনজন যাত্রী গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বের হওয়ার সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা তাদের লাগেজ তল্লাশি করেন। এ সময় মোট ১৪ বোতল লিকার উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, জব্দকৃত পণ্য আইনানুগ নিষ্পত্তির জন্য আটক রাখা হয়েছে। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি; বরং মুচলেকার মাধ্যমে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, কোনো বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী বিদেশ থেকে অ্যালকোহল বহন করতে পারেন না। এটি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
সাধারণত এমন ঘটনায় যাত্রীকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর ও মামলা করার বিধান রয়েছে।
তবে কোন রহস্যজনক কারণে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করেননি? পরিবর্তে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
এমনকি মেহজাবীনের কাছ থেকে কোনো লিখিত মুচলেকাই নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কাস্টমসের নথিতে (রশিদ নং-ডিসিএইচ-ডিই-২০২৫০৮১৫২০) এই অবৈধ মালামাল জব্দের প্রমাণ থাকলেও পুরো বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের শিথিলতা কোন স্বার্থে? কার ইঙ্গিতে?
