ঢাকা: বাংলাদেশ ক্রিকেটের একটা কালো দাগ লেগে গেছে। অস্থিরতা চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। আসলে দেশের কী করে মঙ্গল হবে, সে চিন্তা এই নাজমুলের মতো ব্যক্তিরা কোনোদিন করেন না।

বোর্ডের ভেতরের অসংগতি, অসম্মান এবং সমাধানের অভাব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন কোয়াব সভাপতি ও ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। স্পষ্ট জানালেন—এই জায়গায় এসে খেলোয়াড়দের সামনে বিকল্প পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন নাজমুল।

খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছিলেন বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। এর আগে তামিম ইকবালকে ভারতীয় দালাল আখ্যা দিয়েছেন।

নাজমুলের বিভিন্ন কথা খেলোয়াড়দের কাছে অপমানজনক মনে হয়েছে। বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগের দাবিতে বিপিএলের ম্যাচও বয়কট করেছেন ক্রিকেটাররা।

নাজমুলের মন্তব্যের জেরে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অর্জন এবং বাস্তবতা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন মিঠুন। তাঁর মতে, সাফল্য না থাকলেও দেশের ক্রিকেট আজ যে অবস্থানে, সেটার পেছনে মাঠে খেলা ক্রিকেটারদের অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

আজ, বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ বলেন, “আমরা ভালো ক্রিকেট খেলিনি, এজন্য বিশ্বচ্যাম্পিয়নও হইনি। আমাদের কোনো ট্রফি নাই—সবই সত্যি। কিন্তু আজকে যতটা এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট, যতটুকু খেলেছি তার জন্যই। অন্য কোনো কারণ তো নাই এখানে।”

বোর্ডের সঙ্গে সম্পর্ক ও সমাধানের চেষ্টার প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন, খেলোয়াড়রা শুরু থেকেই সম্মানজনক পথেই এগোতে চেয়েছেন। তিনি আরও যোগ করেন, সবকিছু নীরবে মিটিয়ে ফেলাই ছিল খেলোয়াড়দের লক্ষ্য।

মিঠুন জানান, “আমরাও চেয়েছি বিসিবির পরিচালকদের সম্মান দিয়ে অন্দরে আলোচনা করে সমাধান করতে। কারণ ক্রিকেটীয় ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেকেই আছেন। আমরা চাই না তারা অসম্মানিত হোক। চেয়েছি সব নীরবে যাতে হয়ে যায়। আপনারাও দেখতে পাচ্ছেন এ ধরনের কিছুই হচ্ছে না।”

মিঠুন বলেন, “শেষপর্যন্ত আমাদের আর আসলে কোনো রাস্তা নেই। বিসিবি থেকে যদি সুষ্ঠু সমাধান হয় অবশ্যই আমরা মাঠে যাব।”

আরো বলেন,  “ফারুক ভাইকে প্রথমে রেট করি সাবেক অধিনায়ক হিসেবে পরে বোর্ড, পরে সভাপতি। আপনারা রাতারাতি বোর্ড সভাপতিকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। এখন একজন বোর্ড পরিচালকের ক্ষেত্রে, যাকে নিয়ে বোর্ড পরিচালকরাই বলছেন বিরক্ত, আমরাও বিরক্ত, জাতি বিরক্ত—তাও একজন বোর্ড পরিচালককে কেন সরানো যাচ্ছে না, এই প্রশ্ন আমারও আছে।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *