ঢাকা: বাংলাদেশের ৩৫ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বলা হচ্ছে, নিপা ভাইরাসের বিস্তার এবং সংক্রমণের ধরন উদ্বেগজনক হারে পরিবর্তন হচ্ছে। এই নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইইডিসিআর।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৫ সালে রেকর্ড করা চারটি কেসের সব কটিতেই ১০০ শতাংশ মৃত্যুর পাশাপাশি প্রথমবারের মতো একটি ‘অ-মৌসুমি কেস’ পাওয়া গেছে।
এই ভাইরাসে ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নওগাঁ ও লালমনিরহাটে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে বেশি।
গত বছর দেশে নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চারজন মারা গিয়েছেন। সবার শরীরেই ছিলো নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) আইইডিসিআরের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘নিপাহ ভাইরাসের বিস্তার ও ঝুঁকি বিষয়ে মতবিনিময়’ শীর্ষক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইইডিসিআরের পরিচালক তাহমিনা শিরীন।
সভায় আইইডিসিআরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, প্রতিবছর শীতকালে বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসের প্রকোপ দেখা যায়।
এটি অত্যন্ত মারাত্মক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস। নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রায় ৭২ শতাংশ রোগীর মৃত্যু হয়।
খেজুরের রসকেই বিশেষ করে এর জন্য দায়ী করা হয়। শীতকালে কাঁচা খেজুরের রস পান করার মাধ্যমে মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।
এছাড়া প্রায় ২৮ শতাংশ ক্ষেত্রে একজন থেকে অন্যজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, নিপাহ ভাইরাসের জন্য এখনও কার্যকর কোনো চিকিৎসা বা টিকা আবিষ্কৃত হয়নি। ফলে ভাইরাসে একবার আক্রান্ত হলে বিষয়টা আরো জটিল হয়ে ওঠে।
