কক্সবাজার: গত রবিবার কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসে একটা দেড় টন ওজনের বিশাল নীল তিমি। তবে তিমিটি মৃত।
এর আগে ২০২১ সালে কক্সবাজারের হিমছড়ি সমুদ্রসৈকতে বিশাল দুটি মৃত তিমি ভেসে এসেছিল।
সমুদ্র সৈকতে মাঝে মাঝেই এমন মৃত তিমি ভেসে আসে। এই তিমিগুলো এভাবে মারা যাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ধারণা করা হয়– অসুস্থতা বা বার্ধক্যজনিত কারণে খুব দুর্বল হয়ে পড়লে সঠিকভাবে সাঁতার কাটতে পারে না, ফলে ঢেউ তীরে এনে ফেলে এদের।
অথবা এমনও হয়, বড় জাহাজের সাথে সংঘর্ষে আঘাত পেয়েও মারা যেতে পারে। খাদ্যের অভাবও ঘটতে পারে।
কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের অলী পাড়া সৈকতে বিশাল মৃত তিমিটি টানা ৮ দিন ধরে সৈকতে আটকা পড়েছে।
সেই মৃতদেহে পচন ধরে বাতাসে তীব্র দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা আশঙ্কা করছে, বিশালাকার এই তিমির পেট ফেটে গিয়ে পুরো এলাকায় মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
তিমিটির শরীরে পচন ধরেছে। পচা রক্ত ও পুঁজ গড়িয়ে সমুদ্রের পানিতে মিশছে, যা উপকূলীয় পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
পচে যাওয়া তিমি থেকে ছড়িয়ে পড়া তীব্র দুর্গন্ধে আশপাশের এলাকায় অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও সৈকতে আসা দর্শনার্থীরা বিরাট দুর্ভোগে পড়েছেন।
সৈকতে ফিশিং বোট নির্মাণের কাজে নিয়োজিত শ্রমিক জয়নাল আবেদীন ও মোহাম্মদ খলিল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘গত ৮ দিন ধরে তিমিটি এখানে পড়ে পচছে। বাতাসে এত বিষাক্ত দুর্গন্ধ যে এখানে কাজ করা এখন আমাদের জন্য দুরুহ হয়ে পড়েছে’।
বালি চাপা দিলেও থাকছে না সেটি।
উপকূলীয় বন বিভাগের কয়েকজন কর্মী প্যারাবন রক্ষার দায়িত্বে থাকলেও মৃত তিমির বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি।
