ফরিদপুর: ২০২৪ সালের জঙ্গী আন্দোলনের সময় সারা দেশের বিভিন্ন থানা থেকে মোট ৩ হাজার ৬১৯টি অস্ত্র লুট হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

তবে সংখ্যাটা হয়তো আরো বেশিও হতে পারে।

লুট হওয়া এসব অস্ত্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২৫৯টি বা ৬২ দশমিক ৪ শতাংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সেনাপ্রধান আরও বলেন, ‘একই সময়ে মোট ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪১৮ রাউন্ড গুলি লুট হয়। যার মধ্যে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৩৭ হাজার ১০০ রাউন্ড বা ৫২ শতাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে এইসব উদ্ধার হলেও দেশের আনাচে কানাচে আগল পাগলেও অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবশ্য বিন্দাস আছেন। কোনো ব্যাপার না।

মাঝে মাঝে বলছেন, অস্ত্র হয়তো খালেবিলে ফেলে দিয়েছেন তাই উদ্ধার করা যাচ্ছে না। কত সহজ স্বীকারোক্তি।

এক দুইটা অস্ত্র উদ্ধার করে, গ্রেপ্তার করে দেখানো হচ্ছে যে নাহ কাজ হচ্ছে দেশে। অথচ মাদ্রাসাগুলোতে পর্যন্ত বোমা তৈরি হচ্ছে। বোমা, অস্ত্রের কারখানা এই মাদ্রাসাগুলো। এগুলো তো বলতে পারে না জনগণ, বললে ধর্মীয় অনুভূতিতে চট করে আঘাত লাগবে।

এবার ফরিদপুরের মধুখালীতে ডুমাইন এলাকায় অবৈধভাবে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ একজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান এ পরিচালনা করেন সেনাবাহিনী।

অভিযানে একটি বসতবাড়ি থেকে সিঙ্গেল ব্যারেল একটি পাইপ গান, ১২ গেজের একটি কার্তুজ এবং অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

ঘটনায় ডুমাইন এলাকার বাদল সরকারকে (৫২) আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১টি সিঙ্গেল ব্যারেল পাইপ গান, ১টি ১২ গেজ কার্তুজ, ১৪টি রিকয়েল স্প্রিং, ২টি হ্যামার, ১টি ড্রিল মেশিন, ১টি প্লায়ার্স, ১টি ব্লোয়ার, ১টি হ্যাকস’সহ অস্ত্র তৈরির পরিমাণ সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *