চট্টগ্রাম: আজকের বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধার ঠাঁই নেই। মুক্তিযোদ্ধার কবর পর্যন্ত রেহাই পায় না।
রাজবাড়ীর পাংশায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবরস্থানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই কোন বাংলাদেশ?
ফজরের আজানের সময় যখন মানুষ নামাজে যাচ্ছিল, তখন তারা দেখল পুরো সীমানা বেড়ায় আগুন জ্বলছে। ঘটনাস্থলে পাওয়া গেছে তীব্র পেট্রোলের গন্ধ। কবরস্থানের কোথাও বিদ্যুতের লাইন নেই। এবং এটি একদম পরিষ্কার যে এটা পরিকল্পিত হামলা।
যে দেশের জন্য লাখো মানুষ প্রাণ দিয়েছিল, সেই দেশে আজ তাঁদের সমাধিতেও আগুন লাগানো হচ্ছে। কবরেও শান্তি নেই।
একাত্তরে যাদের হাত রক্তে রাঙা ছিল, যারা পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর ছিল, যারা এদেশের মা-বোনদের সম্ভ্রম লুটেছিল, তাদের উত্তরসূরিরাই আজ আবার মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।
মুহাম্মদ ইউনুসের তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার এবং সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের নেতৃত্বে দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে রাজাকার-আলবদরদের মানসিকতা আবার জেগে উঠেছে।
এই পরিস্থিতিতেই আজ স্মরণ করা হচ্ছে বুদ্ধিজীবীদের।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সহ-সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহীদ এর উদ্যোগে রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করা হয়।
