ঢাকা: ভারত ছাড়া গতি নেই, অথচ ভারতের বিরুদ্ধে এই জঙ্গীদের স্লোগান না দিলে, বিরোধিতা না করলে বড় ক্ষতি হয়ে যায়।
‘লং মার্চ টু ইণ্ডিয়ান হাইকমিশন’ এর ঘোষণা দিয়ে জঙ্গী গোষ্ঠী মূলত দূখিয়ে দিলো নিজেদের শিষ্টাচার।
এ ধরনের লং মার্চ কেবল একটি কূটনৈতিক মিশনের বিরুদ্ধে প্ররোচনা নয়, বরং এটি দেশে সিভিল ওয়্যার বাধানোর পরিকল্পনা।
এটি আসলে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করার একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। যদিও বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা হারিয়ে গেছে ৫ আগস্ট ২৪ জঙ্গিদের উত্থানের মাধ্যমে। বাকী ছিল শুধু সিভিল ওয়্যার টা!
আর এটি পরিণত হয়েছে রাষ্ট্র, কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার একটি সংবেদনশীল ইস্যুতে।
এই লং মার্চ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন, আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার লঙ্ঘন।
এই জায়গায় এসে রাজনীতি আর ‘স্ট্রিট অ্যাক্টিভিজম’ থাকে না বিষয়টি রাষ্ট্র বনাম রাষ্ট্র কাঠামোতে ঢুকে পড়ে।
যখন কোনো আন্দোলনের পেছনে পাকিস্তানি এবং টার্কিশ ইন্টেলিজেন্সের প্ররোচনা ও সাপোর্ট থাকে সেটার প্রধান লক্ষ্য থাকে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে সামাজিক বিভাজন ও সহিংসতা।
রাজধানী ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখী জুলাই ঐক্য নামের একটি প্ল্যাটফর্মের মিছিল বের হয়। রাজনৈতিক শিষ্টাচার কাকে বলে তার বিন্দুমাত্র জানা নেই এদের।
এই মিছিল আটকে দিয়েছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর বাড্ডার হোসেন মার্কেট এলাকায় মিছিলটি আটকায় পুলিশ।
এদিকে, পুলিশ মিছিল আটকে দেয়ার পর সেখানে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেয়া শুরু করেন জুলাই ঐক্যের নেতা–কর্মীরা। এ সময় তাঁদের ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’; ‘ভারতীয় আধিপত্য, মানি না, মানব না’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
