ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রবীণ অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত আলী খান আর নেই। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

রবিবার (৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। এই দেশের গুণীজনেরা একে একে চলে যাচ্ছেন। এখন আর কোনো গুণীজন নেই সমাজে। আছে বাটপার, আর ধর্মান্ধ।

কিছুদিন আগে তিনি স্ট্রোক করেছিলেন বলে জানা যায়। অসুস্থতার সময় কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন তিনি। তারপর তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

রবিবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, দুই নাতিসহ অসংখ্য ছাত্রছাত্রী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন এই সংসারে।

১৯৪১ সালে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সাখাওয়াত আলী খান।

শিক্ষকতা পেশায় আসার আগে প্রায় এক দশক তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সাংবাদিকতা করেছেন। জীবনটা ছিলো বহু অভিজ্ঞতায় পূর্ণ।

দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেছেন। ২০০৮ সালে সেখান থেকে অবসরে যান।

পরে পাঁচ বছর তিনি একই বিভাগে সংখ্যাতিরিক্ত (সুপার নিউমারারি) অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিভাগটির অনারারি প্রফেসর ছিলেন।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ছিলেন।

দেশি-বিদেশি জার্নালে তাঁর অনেক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৩০টিরও বেশি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *