ঢাকা: ইউনূস এবং তাঁর দোসররা হিন্দু নিধন যজ্ঞে নেমেছে। হিন্দু শূন্য করে দেশ ছাড়বেন, এই অভিলাসেই বোধহয় আছেন নোবেলজয়ী।
কারাগারে যথাযথ চিকিৎসা না পেয়েই হয়তো মারা গেলেন বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী প্রলয় চাকী। হাসপাতাল সূত্রে হার্ট এ্যটাকে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানায়।
প্রলয় চাকীর বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা ছিল।
হঠাৎ করেই গত ১৬ ডিসেম্বর প্রলয় চাকীকে ধরে নিয়ে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক।
তাঁর একটাই অপরাধ জেলা আওয়ামী লীগ করতেন।পাবনা আওয়ামি লিগের সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারবার বলেছিল, ‘পালিয়ে’ যেতে!
তিনি স্বচ্ছভাবে বলতেন ‘কেন পালাবো? আমি তো কোনো অন্যায় করি নাই’।
তবে এমন মৃত্যু যতই হোক, আজ আর কারো আসমান কাঁপেনা। কেউ নিরপরাধ প্রলয় চাকীর জন্য বিবৃতি-ক্ষোভ প্রকাশ করবে না।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ভুয়া মামলায় তাঁকে পাথরতলার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে পাবনা জেলা কারাগারে ছিলেন প্রলয়।
বন্দি অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে সেভাবে কোনো চিকিৎসা হয়নি। রোববার রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
বর্তমান নিষিদ্ধ দল আওয়ামি লিগের নেতাদের দাবি, বন্দি অবস্থায় নির্যাতন করা হয়েছিল সঙ্গীতশিল্পীকে। অন্যদিকে প্রলয় চাকীর পরিবারের দাবি, কারাগারে যথাযথ চিকিৎসার অভাবে অবহেলায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
