ঢাকা: পুলিশের সামনে প্রকাশ্য হামলা হচ্ছে আর রাষ্ট্র নীরব। এটাই কি ইউনুস–জামাতের বাংলাদেশ? মব সন্ত্রাস এখন ক্ষমতার ছায়ায়।
কোনো মানুষের শান্তি নেই। অতিউৎসাহী রগকাটা শিবির ও জঙ্গি মানসিকতায় গড়ে ওঠা একটি মব প্রকাশ্যে হামলা চালাচ্ছে, অথচ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দর্শকের ভূমিকায়। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের পরোক্ষ প্রশ্রয়ে শিবির বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করা হচ্ছে।
দেশে আইনের শাসনের জায়গা দখল করছে ভয় ও সন্ত্রাস।
২০২৫ সালে দেশজুড়ে গড়ে ১১ জন হত্যার শিকার হয়েছেন প্রতিদিন। যা আগের ২ বছরের চাইতে বেশি। এর মধ্যে রাজনৈতিক হত্যা একশ’র বেশি।
আর তাছাড়া আলাদাভাবে সংখ্যালঘু অত্যাচার তো আছেই। একদম বিধ্বস্ত অবস্থা দেশের। নির্বাচনের পরিবেশ আছে? ডাস্টবিন শফিক, ইউনূস রেওয়াজ করে বলেই যাচ্ছেন নির্বাচন উৎসব করে হবে। তা কী রক্তের উৎসব? জামায়াতি তো হুমকি দিচ্ছেই প্রকাশ্যে।
আইন ও সালিস কেন্দ্রের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে অন্তত ৪০১টি রাজনৈতিক সহিংসতায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন। আহত ৪ হাজার ৭৪৪ জন।
পুলিশের তথ্য বলছে, গত বছর সারা দেশে ৩ হাজার ৭৮৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪৩২ আর ২০২৩ সালে খুনের ঘটনা ৩ হাজার ২৩।
সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, ‘২৪ এর ৫ আগস্টের পর পুলিশ কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারার কারণেই রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না।’
হিন্দুদের তো টার্গেট কিলিং চলছে। সিলেটে শিক্ষকের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
প্রশ্ন হলো এর শেষ কোথায়? কতজনকে আরো মরতে হবে? কতগুলো বাড়ি আরো পুড়বে? কতগুলো মন্দির আরো ভাঙা হবে?
কতজন নারীকে আরো ধর্ষণ করা হবে?
উত্তর হলো, যতদিন এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন এই সহিংসতা চলবে। কারণ এই সহিংসতা এই সরকারের অস্তিত্বের অংশ। জামায়াত ছাড়া ইউনুস ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। আর জামায়াতের রসদ হচ্ছে সংখ্যালঘুদের রক্ত।
