ঢাকা: গ্রেফতার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের শতকরা ১ শতাংশও জামিন হচ্ছে না,জামিন হলেও মুক্তি পায় না,শোন এরেস্ট দেখানো হয়।

কালেভদ্রে মুক্তি পাচ্ছেন এক দুজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী।

অথচ কেউ মুক্তি পেলেই ফেসবুকে এমনভাবে ভাইরাল করা হচ্ছে,সেটা আবার জাশি-এনসিপি গং প্রচার করছে যেনো সবাই গণহারে জামিন পাচ্ছে কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

মূলত আওয়ামী লীগের কৌশলী হতে হবে, আবেগের জায়গায় আবেগ।

রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান যা নির্দেশনা দিয়েছেন তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথার সাথে মেলে না।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে ‘বিশেষ নির্দেশনা’ দিয়েছেন রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান।

এই রেঞ্জের আট জেলার পুলিশ সুপারদের (ডিএসবি) প্রতি এই বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

চিঠিটি মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষর করেন মোহাম্মদ শাহজাহান। চিঠিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর পুনরায় গ্রেপ্তার বা ‘শোন-অ্যারেস্ট’ দেখানোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর যেসব প্রভাবশালী নেতা বা কর্মী জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পুনরায় দলকে শক্তিশালী করার সক্ষমতা রাখেন কিংবা মাঠ পর্যায়ে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করতে পারেন, তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

এ ধরনের সক্রিয় ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ব্যক্তিরা জামিন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের বিরুদ্ধে থাকা অন্য কোনো পুরোনো বা নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে রাখার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

তবে যেসব কর্মীর মধ্যে এ ধরনের সাংগঠনিক প্রভাব বা তৎপরতা চালানোর সক্ষমতা নেই, তাদের ক্ষেত্রে আপাতত পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রয়োজন নেই বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে, ইতিপূর্বেও এ সংক্রান্ত বিষয়ে পুলিশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়েছিল। বিষয়টিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং জরুরি উল্লেখ করে রাজশাহী রেঞ্জের প্রতিটি জেলায় এটি কার্যকর করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রাজশাহী রেঞ্জের আওতাধীন রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে নির্দেশনাটি পাঠানো হয়েছে।

কিন্তু সরকার ও প্রশাসনে এই ব্যাপারে এখনও সহমত তৈরি হয়নি। পুলিশ প্রশাসন এবং নিম্ন আদালতের বিচারকেরা কারাবন্দি আওয়ামী লিগ নেতাদের জামিন দেওয়া নিয়ে সংশয় আর ইউনূসের আমলের মতোই অবস্থানে আছেন।

রাজশাহী পুলিশের নির্দেশিকা ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। ‌

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কয়েক হাজার নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশিরভাগকেই দিনের পর দিন জামিন দেওয়া হচ্ছে না। ‌কারাবন্দিদের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা, কবি সাহিত্যিক, চলচ্চিত্রকার এবং সাংবাদিক রয়েছেন।

অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ ঘোষণা করেন, গণ অভ্যুত্থানের পর নির্বিচারে যে সব ভিত্তিহীন মামলা‌ দায়ের হয়েছিল‌ সেগুলি প্রত্যাহার করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য পুলিশকে বলা হয়েছে। ‌

তা পুলিশ কী করছে?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *