সিলেট: বলা যায় একটা যুগের পরিসমাপ্তি ঘটলো। পূর্বপাকিস্তান ও বাংলাদেশ ফুটবল ও হকি দলের কিংবদন্তী গোলকিপার, অধিনায়ক এবং ক্রীড়া সংগঠক জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব শ্রী রণজিৎ দাস চলে গেলেন পরপারে।
২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় অনন্তলোকে যাত্রা করেছেন।
তিনি ছিলেন আদর্শ এবং অনুপ্রেরণার উৎস। এমন মহান ব্যক্তিত্বের চলে যাওয়া ক্রীড়া জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গোলরক্ষক রণজিৎ দাসকে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানান সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ।
সোমবার ভোরে সিলেটের একটি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রণজিৎ দাস। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।
তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
১৯৫৫ সালে ইস্পাহানি ক্লাব দিয়ে ফুটবল যাত্রা শুরু করেছিলেন রণজিৎ দাস।
একটা সময় ছিল কেবল সিলেট নয় ঢাকার মাটিতেও ফুটবল জগতের সুপরিচিত নাম ছিল রণজিৎ দাস। এক নামে রণজিৎ দাস ।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, চার মেয়ে এবং অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী রেখে গেছেন সংসারে।
