ঢাকা: আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চলছে প্রতিহিংসার রাজনীতি। শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন ২০২৪ এর ৫ আগস্ট ।তারপর কেটে গিয়েছে ১৭ মাস।
কিন্তু প্রতিহিংসা শেষ হয়নি। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলো, এই দল ছাড়াই নির্বাচন হতে চলেছে।
এবং শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লিগ নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে এখনও মামলা রুজু হচ্ছে। এরই মধ্যে একটি মামলায় পুলিশের বিষয় নিয়ে বেশ অবাক করার মতো কাণ্ড। এই নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে বাংলাদেশে।
বাংলাদেশ পুলিশের তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই বা পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন একটি মামলায় শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় সহ আওয়ামী লিগের সাবেক মন্ত্রী সাংসদ মিলিয়ে মোট ১১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের জন্য আদালতে রিপোর্ট প্রেস করেছে।
কোর্টে জমা করার রিপোর্টে পিবিআই বলেছে এই মামলায় যাদের আহত বলে নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা সবাই নিখোঁজ। তাদেরকে বাসস্থানের ঠিকানায় পাওয়া যায়নি।
শুধু তাই নয়, মামলাকারী তাঁর আহত ভাইয়ের যে ঠিকানা এফআইআরে উল্লেখ করেছিলেন সেখানে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উল্টো আবার বাড়িওয়ালা লিখিতভাবে পুলিশকে জানিয়েছেন তেমন নামে তাঁর বাড়িতে কোনো ভাড়াটিয়া কোনোদিন থাকতেন না। এগুলো নাম তাঁর জানা নেই।
বুঝুন তাহলে, ম্যাটিকুলাস মামলার কথা!
মামলার প্রধান ভিকটিমসহ অন্য আহতদের বাস্তবে কোনো হদিস না পাওয়ায় এবং তথ্যে গরমিল থাকায় আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী ‘তথ্যগত ভুল’ হিসেবে এই প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর শরিফ (৩৭) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় মামলাটি (মামলা নং-০১) দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করা হয়েছিল।
এজাহারে দাবি করা হয়েছিলো, ৪ আগস্ট (২০২৪) সকালে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকার মিনা বাজারের সামনে আন্দোলন চলাকালীন সাহেদ আলীসহ ১০ জন আহত হন। বাদী শরিফ ভিকটিম সাহেদ আলীকে তার ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
পিবিআই জানায়, মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর পিবিআই পুরো অনুসন্ধান চালায়।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ভিকটিম সাহেদ আলীর সন্ধানে এজাহারে দেয়া ঠিকানায় গেলে জানা যায়, ওই ঠিকানায় সাহেদ আলী নামে কেউ কখনও বসবাস করেননি। এমনকি বাদী ও ভিকটিম ভাই নন বলেও নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ভিকটিমের দেয়া জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে দেখা যায় সেটিও ভুয়া এবং ওই নামে কোনো মোবাইল নম্বরও নিবন্ধিত নেই। অর্থাৎ এই ব্যক্তির কোনো অস্তিত্বই নেই।
এজাহারে ভিকটিমের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘সীমান্ত স্কয়ার’ বলে উল্লেখ করা হলেও মার্কেট কমিটির পক্ষ থেকে সাহেদ আলী নামের কোনো ব্যবসায়ীর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
শুধু তাই নয়, পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, বাদী শরিফকে বহুবার নোটিশ দেয়া এবং সরাসরি যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো ভিকটিমকে হাজির করতে পারেননি।
এমন যে আরো হাজার হাজার, তথা গোটা জুলাই দাঙ্গা টাই তো ডিজাইন করা, ভুয়া। সেখানে হত্যা তো ভুয়া হবেই। একটা দুইটা লাশ জরুরি ছিলো, আবু সাঈদ এদেরকে করে দেয়া হয়েছে
