চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বন্দর তো আসল কারণ শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার! দেশ বিক্রি করার জন্য এই চেয়ারে বসেছেন মহাজন। আর সেই লক্ষ্যেই পা বাড়িয়েছেন।

বাংলাদেশ জুড়ে চলছে তীব্র প্রতিবাদ। চট্টগ্রাম বন্দরের কদর এই সরকারের বোঝার কথা নয়।

চট্টগ্রামের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের দেওয়ার ‘পাঁয়তারা’ এবং লালদিয়া চর ও পানগাঁও টার্মিনালের ইজারা বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রাম বন্দরের প্রবেশ পথ অবরোধ করছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)।

আজ, বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নগরীর তিনটি পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বন্দর অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন স্কপের নেতাকর্মীরা।

স্কপের কর্মসূচিতে সমর্থন দিচ্ছে বাম গণতান্ত্রিক জোট এবং সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন।

উল্লেখযোগ্য যে, চট্টগ্রাম বন্দর ও আশেপাশের এলাকায় সভা সমাবেশের ওপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সভা সমাবেশ, প্রতিবাদে এই সরকারের খুব ভয়।

এর ফলে বন্দরে প্রবেশের তিনটি পয়েন্ট বড়পুল মোড়, সিম্যান্স হোস্টেল গেইপ এবং বনবদর টোল প্লাজার মোড়ে অবস্থান নিয়েছেন স্কপের কর্মীরা।

তারা সকাল ১০টার পর বন্দর টোল প্লাজার সড়কে অবস্থান নিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।

স্কপ নেতা ও ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি তপন দত্ত বলেছেন,আমরা চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলন করছি। তিনটি স্থানে আমাদের অবরোধ চলছে।বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।

তিনি বলেন, আমাদের অবরোধ কর্মসূচি বেলা ১টা পর্যন্ত চলবে। স্কপ ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড়পুল মোড়ে জড়ো হয়ে সমাবেশ করেন এবং পরে বন্দরমুখী সড়ক অবরোধ করেন।

এদিকে, স্কপ নেতা ফজলুল কবির মিন্টু বলেন, বন্দরের টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে আমাদের আন্দোলন। সরকারকে এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে।

বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বলছেন, স্কপের অবরোধ কর্মসূচির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কাজে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *