ঢাকা: দেশ আজ মহা মহাসংকটে। একদিকে মহামারি রূপ নিচ্ছে হাম। আরেকদিকে জ্বালানি সংকট। জ্বালানির ওপর দেশটা নির্ভরশীল। এর অভাবে এখন প্রত্যেকটা সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত।
অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের দুঃশাসনের কারণে দেশ প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
এখন বিএনপি ক্ষমতায়। তবে সুচারুরূপে দেশটা পরিচালনা করতে ব্যর্থ হচ্ছে। জ্বালানিনির্ভর অর্থনীতি এখন দুর্যোগের মুখে পড়েছে।
বর্তমানে অর্থনীতির ভঙ্গুর দশা, রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা, স্বাস্থ্য খাতে গভীর সংকটের মুখোমুখি দেশ।
এদিকে, জ্বালানি সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৬ টার পরিবর্তে ৭টা পর্যন্ত দোকান, মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত এসেছে।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রোববার সচিবালয়ে বলেন, দোকান মালিক সমিতির আবেদন পুনর্বিবেচনা করে নতুন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, “সেক্ষেত্রে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা যাবে।”
সরকারের মন্ত্রিসভায় বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত হয়, সকাল ৯টা থেকে ৬টা পর্যন্ত দোকান, মার্কেট ও শপিংমল খোলা থাকবে। তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও জরুরি সেবা এ বিধিনিষেধের বাইরে থাকবে। সরকারের ওই নির্দেশে ব্যবসায়ী মহলে অত্যন্ত আপত্তি ওঠে।
এইটুকু সময়ে তো নিজের হাজিরাও ওঠে না। আর রাতে লোকজন মার্কেটে যায়।
প্রতিমন্ত্রী অমিত বলেন, “দোকান মালিক সমিতি আমাদের কাছে আবেদন করেছিল, আমরা যেন সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার সুযোগ দেই। যদিও কেবিনেট মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত ছিল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত; কিন্তু পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দোকান মালিক সমিতির আবেদন পুনর্মূল্যায়ন করে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”
