ঢাকা: বিপুল জয়লাভের পর এবার বাংলাদেশে নতুন সরকার গড়তে চলেছে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি তথা বিএনপি।

প্রায় দেড় বছর পর দেশে নির্বাচিত সরকার। নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন বিএনপি-র চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর শপথ-গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।

ক্যাবিনেট সেক্রেটারি শেখ আব্দুর রশিদ জানান, নব নির্বাচিত সাংসদরা শপথ নেবেন আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি।

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ-গ্রহণ অনুষ্ঠানে ১৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস।

তালিকায় রয়েছে- চিন, সৌদি আরব, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মলদ্বীপ ও ভুটান।

শেখ হাসিনা জমানায় জেল খেটে বিদেশে যেতে হয়েছিল তারেক রহমানকে, ১৭ বছর পর দেশে ফিরে বাজিমাত করেছেন তারেক।

তবে বিএনপির আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নয়। তবে এবার সমীকরণটা ভিন্ন। জামাত যদি একবার আসে ক্ষমতায়, দেশ ধ্বংস হতে আর সময় নেবে না। তাই জামাত যেন না আসে অনেক আওয়ামী লীগের সাপোর্টার বিএনপিতে ভোট দিয়েছেন, ভোট দিয়েছেন হিন্দুরা।

নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো এমন মনোভাব তো আছেই।

ভারত-বিদ্বেষী জিগির তোলা জামাত জোট মুখ থুবড়ে পড়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, “বিজয়ীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এটি অনুষ্ঠিত হতে পারে, এর বেশি দেরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।”

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো নিয়ে যে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গিয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *