ঢাকা: চোখের সামনে রাষ্ট্রের মুখোশ খসে পড়েছে, ইউনূস গং ষড়যন্ত্রে দেশকে কাবু করে লুটেছে।
এই দেড় বছরে কী হয়নি দেশে? মবের রাজা পুরো সিস্টেমকে উলোট পালট করে ছেড়ে দিয়েছেন।
সাধারণ মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত হয়েছে। মুখ খুলে একটা কথা বলতে পারেনি। বলতে পারেনি ‘আমাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে হত্যার’!
সংখ্যালঘুরা আরেক ৭১ দেখে ফেলেছে।
এখানেই শেষ নয়, আদালতের ভেতরেও যেখানে বিচার হয়, নিরাপত্তা থাকে, সেখানেই আওয়ামী লীগ নেতার উপর হামলা চালানো হয়েছে।
এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। ইসলামি জঙ্গী-সন্ত্রাসী আর দুর্নীতির চোরাবালি পেরিয়ে ক্ষমতায় বসা অবৈধ ইউনুস সরকার একের পর এক পরিকল্পিত আক্রমণ চালিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর—স্রেফ ভয় দেখাতে, প্রতিশোধ নিতে, দলটাকে স্বমূলে ধ্বংস করে দিতে।
অন্তর্বর্তী সরকার কোনো নিয়ম মানেনি, সংবিধান মানেনি, মানুষের নিরাপত্তা মানেনি।
তারা চেয়েছে—আওয়ামী লীগ চুপ করে থাকুক। মাথা নিচু করে থাকুক।
ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে—ইউনুস সরকার আদালতের ভেতরে মানুষ মারত।
এবার এই জামাতি ইউনূসকে আপদ বললেন লেখক তসলিমা নাসরিন।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন:
“ফাইনালি!! ইউনুস নামের আপদ বিদেয় হচ্ছেন। ওঁর তো ইচ্ছে ছিল বাকি জীবন প্রধান উপদেষ্টা হিসেবেই কাটিয়ে দিতে। এমন অশান্তি সৃষ্টিকারী প্রাণী বোধহয় ভূভারতে দ্বিতীয়টি নেই।
ক্ষমতায় বসে ক্ষমতার যথেচ্ছ অপব্যবহার করেছেন। নিজের ৬৬৬ কোটি টাকার ঋণ মওকুফ করিয়ে নিয়েছেন। গ্রামীণ ব্যাংকের কর কমিয়ে দিয়েছেন। নিজের আত্মীয়দের বড় বড় পদে সরকারী চাকরি দিয়েছেন। জিহাদি জামাতিদের সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে গিয়েছেন।
জঙ্গিদের মুক্তি দিয়েছেন, নিরপরাধ সাহিত্যিক সাংবাদিকদের জেলে নিক্ষেপ করেছেন। মবসন্ত্রাস ঘটিয়ে মানুষ খুন করেছেন। দেশকে হাবিয়া দোযখ দেখিয়ে ছেড়েছেন, তবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করেও সফল হয়নি।
বিএনপির ওপর মানুষ আশা করে আছে, দলটি দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনবে। কিন্তু যেভাবে তারেক জিয়া জিহাদিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফুল বিতরণ করছেন, এতে মানুষ কনফিউজড। তারেক জিয়া চাইছেনটা কী?
এদের সঙ্গে নিয়ে কিন্তু দেশ ধ্বংস করা যায়, দেশ গড়া যায় না। সেক্যুলারিজম, নারীর সমানাধিকার, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতার সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ করা যাবে না। রাষ্ট্র এবং রাজনীতি থেকে যদি ধর্মকে দূরে না সরানো হয়, তাহলে জামাতে ইসলামি যা, বিএনপিও তা। থোড় বড়ি খাড়া আর খাড়া বড়ি থোড়”!
