ঢাকা: প্রহসনের ভোট বর্জন করেছে জনগণ। স্পষ্ট তার ছবি দেখা গেছে ১২ ফেব্রুয়ারি।

আওয়ামী লীগ আগেই এই ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছিলো।

অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের প্রহসনের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করায় মা-বোন-সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সকল দেশবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

এই তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত একটি সুপরিকল্পিত প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংবিধানের চেতনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আয়োজন করা হয়েছে আওয়ামী লীগবিহীন— ভোটারবিহীন প্রতারণামূলক নির্বাচন।

হাসিনা লেখেন, দেশের মানুষ এই ভোটকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি ফেসবুকে লেখেন, ‘অবৈধ এবং অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূসের আজকের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত একটি সুপরিকল্পিত প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংবিধানের চেতনাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আয়োজন করা হয়েছে আওয়ামী লীগবিহীন— ভোটারবিহীন প্রতারণামূলক নির্বাচন।’

তিনি ভোট কেনাবেচা, কারচুপির অভিযোগও করেছেন। ভোটে হিংসা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা লেখেন, ‘১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, ভোট কেনাবেচা করতে টাকার ছড়াছড়ি, ব্যালট পেপারে সিল প্রদান এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর গ্রহণের মধ্যে দিয়েই এই প্রহসনের সূচনা হয়।’

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দেশের ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল ‘নগণ্য’। রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বেশ কিছু জায়গায় বহু ভোটকেন্দ্র ছিল ‘ভোটারশূন্য’।

তিনি লেখেন, ‘আওয়ামী লীগবিহীন এই ভোট জনগণ বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছেন।’

হাসিনা নিজের পোস্টে লিখেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের বিবৃতি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত (সাড়ে তিন ঘণ্টায়) ভোটগ্রহণের হার ছিল মাত্র ১৪.৯৬ শতাংশ।’ হাসিনা মনে করেন, ‘ভোটগ্রহণের উৎকৃষ্ট সময়ে জনগণের এই কম অংশগ্রহণ’ প্রমাণ করে যে, তাঁরা ভোট প্রত্যাখ্যান করেছেন।
হাসিনার অভিযোগ, আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের জোর করে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এ জন্য তাঁদের ‘ভয় দেখানো হয়েছে’। গত কয়েক দিন তাঁদের উপরে ‘হামলা’ও হয়েছে। হাসিনার কথায়, ‘সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তাঁরা এই প্রতারণামূলক নির্বাচন বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছেন। ফলে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রই ছিল কার্যত ভোটারশূন্য।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *