ঢাকা: জামায়েত ইসলামী ৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে এই বাংলাদেশের নারীদেরকে তুলে দিয়েছিল আপনাদের সেটা সুস্পষ্টভাবে মনে আছে মনে হয়।

জামাত সম্পূর্ণভাবে ভণ্ডামি শুরু করেছে।

এই জামায়েত ইসলামের আমির যা বলছে সম্পূর্ণ মিথ্যা ভন্ডামি এবং বাংলাদেশের নারীদের সাথে ছলচাতুরি করছে।

তারা যদি বাংলাদেশের জনগণকে ভালবাসতো এবং বাংলাদেশের নারীদেরকে যদি নিরাপত্তা প্রদানই করত তাহলে এই ধরনের ভণ্ডামি করতো না ।

জামায়েত ইসলামের নেতারা প্রতিটা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নারীদেরকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখাচ্ছে। তারা বলছে নারীদেরকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেবে তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করবে।

এখন আবার বলেন, সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দশ দলীয় জোট ঘরে ও বাইরে নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে, বলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

তার কথায়, “নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেকটি যুদ্ধে আমাদের মা-বোনদেরকে যোদ্ধা হিসেবে সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। যুদ্ধের চাইতে কঠিন কোনো কাজ আসমানের নিচে, জমিনের উপরে হয় না। সেই কাজে যদি মায়েরা ভূমিকা পালন করতে পারেন, তাহলে সমাজে এমন কোনো কাজ নাই—যেখানে তারা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

“বর্তমান সমাজেও তারা কাজ করেন; কিন্তু দুইটা জিনিসের বড়ই অভাব। একটি হচ্ছে—তাদের নিরাপত্তা, আরেকটা হচ্ছে তাদের মর্যাদা।

“ইনশাআল্লাহ তাআলা আজিম, আমরা যদি এই দেশ পরিচালনার সুযোগ পাই; আমরা মায়েদেরকে মায়ের মর্যাদায় ঘরে, চলাচলে, কর্মস্থলে—তিন জায়গায় নিরাপত্তা এবং মর্যাদা তাদের শতভাগ নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ।”

জামায়াত আমির বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের জীবনের চাইতে আমাদের মায়েদের ইজ্জতের মূল্য অনেক বেশি। আমাদের চাইতে কেউ এই মূল্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন— তার প্রমাণ কেউ রাখতে পারেননি।

“যারা আজকে বড় গলায় কথা বলেন, বিভিন্ন জায়গায় তাদের হাতেই আমাদের মা-বোনেরা মেয়েরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভুরি ভুরি প্রমাণ প্রতিদিন এই বীভৎস চিত্র উঠে আসে। তারা কি না আবার আমাদের সমালোচনা করেন। সাধু সাবধান, বাক্সের মুখ খুলতে বাধ্য করবেন না; তাহলে ভেতরের সবকিছু প্রকাশ করে দেব।”

শফিকুর রহমান বলেন, “নারী-পুরুষে যেমন একটা পরিবার গড়ে ওঠে, ঠিক তেমনইভাবে নারী-পুরুষের সম্মেলনে একটা দেশ এবং সমাজ গড়ে ওঠে।

“অনেকে ভয় দেখায়, ‘এই ১০ দল যদি ক্ষমতায় যায় বিশেষ করে জামায়াতে ইসলাম, উপায় নাইরে—সব তালা মেরে দেবে ঘরে ঘরে’। ‘বোনদেরকে বের হতে দেবে না, মায়েদেরকে বের হতে দেবে না, লেখাপড়া করতে দেবে না, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেবে না’—এগুলা সব ধোঁকাবাজদের কথা।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *